বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ১ লা জানুয়ারি ১৯৯৮ এ জন্ম হওয়ার পর থেকে ২০২৬, চব্বিশ বছরেও বেশি সময় ধরে রয়েছে সর্বভারতীয় তৃণনামূল (All India Trinamool Congress) কংগ্রেস দলটি। ৩রা জুন ভেঙে গেল তৃণমূল। অবশ্য এই ঘটনা আগেভাগেই আঁচ করেছিলেন অনেকেই।
২২শে মে শুভেন্দুর সাথে সাক্ষাৎ
বিগত ২২শে মে দিল্লির বঙ্গভবন সাক্ষাৎ হয়েছিল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বর্তমানে নয়া তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা। এরপর ৬ই মে আসতেই সকলকে চমকে দেয় বিজেপি।
বিগত ১৯ শে মে একটি বৈঠক হয় কালীঘাটে। যেখানে তৃণমূলের বিজয়ী বিধায়কদের আসার কথা ছিল। সেখানে অভিষেকের জন্য সকলকে দাঁড়িয়ে অভিন্দন জানাতে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই থেকেই সূত্রপাত ভাঙ্গনের। সেদিন রাত্রে আরও একটি বৈঠক হয়।
বৈঠকে কার্যত বিস্ফোরক মন্তব্য করেন, ঋতব্রত ও সন্দীপন (এন্টালির বিধায়ক। তাঁদের মতে, ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে নাম ফেরত নেন জাহাঙ্গীর খান। কিন্তু তাকে কেন দল থেকে বহিস্কার করা হচ্ছে না? অবশ্য ঋতব্রতর আসল টার্গেট কে ছিল সেটা বুঝতে অসুবিধা হয়নি কারোরই।
আরও পড়ুনঃ মমতাকে মানি শোভনদেবকে না! নাটকটা করার কি দরকার? বিস্ফোরক কুনাল ঘোষ
এরপর ২২ শে মে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে দেখা হলে তাঁকে ও রাজ্যের বিজয়ী বিধায়কদের প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকা হবে বলে জানানো হয়। সেই সময় ঋতব্রত জানান, ব্যক্তিগত হিসাবে আমি মনে করি মুখ্যমন্ত্রীর এই কাজগুলি ও তাঁর সাথে সাক্ষাৎকার ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও তাজপযপূর্ণ।
২৫ মে থেকে বিতর্ক বাঁধতে থাকে, কে হবে বিরোধী দলনেতা, উপদলনেতা এই প্রসঙ্গে। এরপর স্পিকারের কাছে এই সংক্রান্ত একটি নথি পাঠানো হয়। কিন্তু সই নকল করার অভিযোগ ওঠে। যার জেরে ২৭ শে মে হেয়ার স্ট্রিট থানায় FIR দায়ের করা হয় সই জাল করার জন্য। ২৮ শে মে থেকেই যায়না বন্দ্যোপাধ্যায় তাপস মাইতি থেকে ক্যানিং পূর্বের বিধায়কদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।
৩০ শে মে সোনারপুরে যান অভিষেক। সেখানে যেতে স্থানীয়রা ঢিল, ডিম ছুঁড়তে থাকেন। এর প্রতিবাদে মাঠে নামার ডাক দিলেও কাউকেই ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেখা যায়নি। এদিন ২৮ শে মে যেটা শুরু হয়েছিল শেষ হল। ভোটে জয়ী বিধায়কদের নিয়ে একটি মিটিং করেন তিনি।
এদিকে ২রা জুন কুনাল ঘোষ ও অসীমা পাত্র মাইল একটি চিঠি দেন স্পিকারের সচিবালয়ে। যেখানে শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা ও নয়না , অসীমাকে উপদলনেতা বলে জানান কারণ ঠিঠি গ্রহণ করেননি স্পিকার। শেষমেশ, বুধবার ৩রা মে ১০ টায় বিধানসভা শুরু হলে ঋতব্রতকে বিরোধী দল নেতা হিসাবে মেনে নেওয়া হয়।।












