ভোটের কাজে তুলে নেওয়া হচ্ছে বিপুল বাস! কতদিন দুর্ভোগ পোহাতে হবে নিত্যযাত্রীদের?

Published on:

Published on:

Huge buses are being used for West Bengal Assembly Election.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election) কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। এবার ভোটের সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। বিশেষ করে গণপরিবহণ ব্যবস্থায় চাপ ক্রমশ বাড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে যাত্রীদের মধ্যে। আগামী বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। তার আগে থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেসরকারি বাস পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য একের পর এক বাস প্রশাসনের তরফে নিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে রাস্তায় বাসের সংখ্যা কমেছে।

ভোটের (West Bengal Assembly Election) জন্য রাস্তা থেকে উধাও বাস:

সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর যাতায়াত, ভোটকর্মীদের বুথে পৌঁছে দেওয়া এবং অন্যান্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য বিপুল সংখ্যক বাস প্রয়োজন। সেই কারণেই ধাপে ধাপে বেসরকারি বাসগুলিকে নিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে শহর কলকাতা থেকে শুরু করে জেলার বহু রুটেই যাত্রীদের বাস পেতে সমস্যায় পড়তে হবে।

বাস মালিক সংগঠনগুলির বক্তব্য, নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের তরফে বাস চাওয়া হচ্ছিল। মঙ্গলবার থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়বে বলেই তাঁদের আশঙ্কা।

বঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন দুই দফায়। এক দফার কাজ শেষ হতেই আবার অন্য দফার দায়িত্বে নামতে হবে বাসগুলিকে। এমনকি ভোট গণনা পর্যন্ত বাসগুলি ব্যস্ত থাকবে নির্বাচনী কাজে। এর ফলে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিবহণ পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। বাসগুলি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিষেবায় ফিরতে সেই ৬ ই মে। ততদিন পর্যন্ত যাত্রীদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

Huge buses are being used for West Bengal Assembly Election

আরও পড়ুন : প্রথম দফার নির্বাচনে অশান্তি রুখতে প্রস্তুত কেন্দ্রীয় বাহিনী! জরুরি পরিস্থিতিতে থাকছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

সরকারি বাস থাকলেও, যাত্রীর চাপ সামাল দেওয়া তাদের পক্ষে যথেষ্ট কঠিন হয়ে উঠবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ, ছাত্রছাত্রী এবং পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন। নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হলেও, তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে বলেই স্পষ্ট। এখন প্রশ্ন, এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন যাত্রীদের স্বস্তি দিতে কোনও কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা নেয় কি না।