বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজকোটে ভারতে কাছে ODI সিরিজ জয়ের সুযোগ ছিল। কিন্তু, নিউজিল্যান্ডের (Ind vs NZ) ব্যাটাররা টিম ইন্ডিয়ার সেই আশা ভেঙে দিয়েছেন। ড্যারিল মিচেলের দুর্দান্ত ১৩১ রানের ইনিংস নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটের বিশাল জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। এদিকে, কেএল রাহুলের সেঞ্চুরিও সেই কারণে ব্যর্থ হয়। এমতাবস্থায়, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩ ম্যাচের ODI সিরিজ এখন ১-১ সমতায় রয়েছে। মূলত, ওই ম্যাচে ভারতীয় বোলাররা হতাশ করেছেন। মাঝের ওভারগুলিতে ভারতীয় স্পিনারদের উইকেটের জন্য লড়াই করতে দেখা যায়।
দ্বিতীয় ODI-তে পরাজিত ভারত (IND vs NZ):
মাঝের ওভারগুলিতে মেলেনি উইকেট: উল্লেখ্য যে, ম্যাচের পরে, অধিনায়ক শুভমান গিল স্বীকার করেছেন যে, মাঝের ওভারগুলিতে উইকেট না পাওয়াই দলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি। তিনি বলেন, যদি মাঝের ওভারগুলিতে উইকেট না নেওয়া যায়, তাহলে রান থামানো খুব কঠিন হয়ে পড়ে।

গিল আরও জানান, ‘মাঝের ওভারগুলিতে আমাদের ৫ জন ফিল্ডার ভেতরে ছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরা উইকেট নিতে পারিনি। যদি এই ওভারগুলিতে উইকেট না নেওয়া হয়, তাই একজন সেট ব্যাটারকে থামানো অসম্ভব হয়ে পড়ে।’
আরও পড়ুন: চিনের বাড়ল চিন্তা! এই সেক্টরে ইতিহাস গড়ল ভারত, রফতানি ছাড়াল ৪ লক্ষ কোটির গণ্ডি
গিলের মতে, ওই ধরণের পিচে একবার পার্টনারশিপ তৈরি হয়ে গেলে, সেট ব্যাটারের পক্ষে বড় ইনিংস খেলা সহজ হয়ে যায়। অপরদিকে, নতুন ব্যাটারের পক্ষে শুরু থেকেই রান করা কঠিন হয়ে পড়ে। অধিনায়ক গিল স্বীকার করেছেন যে ইনিংসের প্রথম ১০-১৫ ওভারে বলটি কিছুটা নড়ছিল। তবে সেই সময়কালে দলকে বোলিংয়ে আরও সাহস দেখানোর প্রয়োজন ছিল।
আরও পড়ুন: RCB অনুরাগীদের জন্য দুঃসংবাদ! চিন্নাস্বামী নয়, IPL ২০২৬-এ এই ২ ভেন্যুতে হোম ম্যাচ খেলবেন কোহলিরা
তিনি জানান, ‘আমরা শুরুতে আরও আক্রমণাত্মক হতে পারতাম। কিন্তু আমরা তা পারিনি।’ অধিনায়ক ফিল্ডিংয়ের ত্রুটিগুলিকেও পরাজয়ের একটি বড় কারণ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, আগের ম্যাচের মতো, দলটি কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ ফেলেছে। যার ফলে প্রতিপক্ষ দলটি ফিরে আসতে পেরেছে। শুভমান গিলের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, আসন্ন ম্যাচগুলিতে দলকে মিডল ওভারের বোলিং, উইকেট নেওয়ার কৌশল এবং ফিল্ডিংয়ের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। যাতে ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি জোরদার করা যায়।












