বাংলা হান্ট ডেস্ক : নিজেদের তৈরি সামগ্রী বিক্রির জন্য এবার স্থায়ী ঠিকানা পেতে চলেছেন রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বহু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। ছোট ব্যবসায়ী থেকে শিল্পী, এমনকি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের হাতে তৈরি পণ্যকে নিয়মিত বাজারের সঙ্গে যুক্ত করতে নতুন উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগমের তরফে বিধাননগরের অমর ভবনে ‘শিল্প কুঞ্জ’ গড়ে তোলা হয়েছে।
রাজ্য সরকারের(Government of West Bengal) উদ্যোগে চালু ‘শিল্প কুঞ্জ’
এতদিন নিজেদের তৈরি জিনিস বিক্রি করতে অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকেই বিভিন্ন মেলা, প্রদর্শনী কিংবা অস্থায়ী স্টলের উপর নির্ভর করতে হত। ফলে নিয়মিত ক্রেতার কাছে পৌঁছনো বা পণ্যের জন্য নির্দিষ্ট বাজার তৈরি করা সহজ ছিল না। ‘শিল্প কুঞ্জ’-এ উদ্যোক্তারা তাঁদের তৈরি সামগ্রী সাজিয়ে রাখার পাশাপাশি সরাসরি ক্রেতার কাছে তা বিক্রি করার সুযোগ পাবেন।
উৎপাদনের পর পণ্য বাজারজাত করার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিকাঠামো পাওয়া যাবে। ফলে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে উদ্যোক্তাদের আয়ে। নিয়মিত বিক্রির সুযোগ তৈরি হলে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি আর্থিক ভাবে আরও স্বনির্ভর হওয়ার পথও খুলবে।
বিধাননগরেই অবশ্য প্রথমবার ‘শিল্প কুঞ্জ’-এর ভাবনা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। নিউটাউনের নজরুলতীর্থে ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের একটি বিপণন কেন্দ্র রয়েছে। সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা নিজেদের তৈরি সামগ্রী বিক্রি করছেন। জানা যাচ্ছে, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মকেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ই-কমার্সের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগম।

আরও পড়ুন : আয়ুষ্মান কার্ড হারালেও চিন্তা নেই! মিলবে ৫ লাখের ফ্রি চিকিৎসা, কী করতে হবে জানুন
প্রসঙ্গত, বিধাননগর বা নিউটাউনের মতো নির্দিষ্ট এলাকার ক্রেতাদের পাশাপাশি রাজ্যের অন্য প্রান্ত এবং বৃহত্তর বাজারেও পণ্য পৌঁছনোর রাস্তা খুলবে। নতুন এই বিপণন কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী শ্রী ক্ষুদিরাম টুডু। ‘শিল্প কুঞ্জ’ ব্যবসাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার একটি মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। সরকারি সহায়তায় তৈরি এই বাজারব্যবস্থা কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।













