দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের আগে বড় শর্ত দিল ইরান! ফের ভেস্তে যাবে আলোচনা?

Published on:

Published on:

Iran has made big conditions before the second round of peace talks!
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের (Iran) মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ইসলামাবাদে। মঙ্গলবার থেকে এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে এসে এই নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সোমবারের মধ্যেই দুই দেশের প্রতিনিধিদের ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা থাকলেও তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন নৌ অবরোধ চলাকালীন তারা আলোচনায় বসবে না।

দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের আগে বড় শর্ত দিল ইরান (Iran)!

ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে এই নিয়ে জানানো হয়েছে, অবরোধ এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। ইরানের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধ ‘অযৌক্তিক’ এবং তা প্রত্যাহার না করলে কোনও কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। ফলে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা ফের বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন: মোদীর সভার জেরে ভেস্তে গেল হেমন্ত সোরেনের ঝাড়গ্রাম সফর, বিজেপির ‘দোষ’ বলল তৃণমূল

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা করেছিলেন, এই দ্বিতীয় দফার বৈঠকেই চূড়ান্ত সমাধানের পথ বেরিয়ে আসবে। শুধু তাই নয়, ইরান শর্ত না মানলে তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে সামরিক আঘাত হানার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। প্রথম দফার বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে চাপ তৈরি করা হচ্ছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এই অচলাবস্থার মধ্যেই ওমান উপসাগরে ইরানের একটি পতাকাবাহী জাহাজ আটক করেছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প নিজেই ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এই তথ্য জানিয়ে দাবি করেছেন, জাহাজটি মার্কিন অবরোধ অমান্য করে এগোচ্ছিল। ইরানের মতে, এটি একটি উস্কানিমূলক পদক্ষেপ, যা শান্তি আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা এখন প্রশ্নের মুখে।

Iran has made big conditions before the second round of peace talks!

আরও পড়ুন: বৈশাখ মাসের শুরুতে সোনার দামে স্বস্তি! হু হু করে কমল হলুদ ধাতুর দর, জানুন আজকের রেট

এদিকে পাকিস্তান পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধিরা ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দিলেও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নিরাপত্তাজনিত কারণে যাচ্ছেন না বলে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে ইরান (Iran) ও আমেরিকার মধ্যে এই বৈঠক আদৌ হবে কি না, তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।