চলন্ত বাইকে পিছু ধাওয়া, রাস্তার মাঝেই জোর করে সিঁদুর! ঝাড়গ্রামে সিনেমাকেও হার মানানো কাণ্ড

Published on:

Published on:

Jhargram abuzz with allegations of forced wearing of vermilion on the streets
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ঝাড়গ্ৰামে (Jhargram) ঘটল এক অবাক করা কাণ্ড। পরীক্ষা শেষে মেয়ে ও তার বান্ধবীকে মোটরবাইকে চাপিয়ে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন বাবা। হঠাৎ করে পিছন থেকে আরেকটি বাইক কাছাকাছি চলে আসে। বিপদের আশঙ্কা করে মোটরবাইকটি ধাওয়া করেছে বলে মনে করেছিলেন বাবা। গতিবিধি ভালো না বুঝে বাইকের গতি বাড়িয়ে দেয় ছাত্রীর বাবা। গতি বেড়ে যায় পিছনের মোটরবাইকেরও। একেবারে এই মোটরবাইকের পাশে চলে আসে সেটি। হতবাক হয়ে আশপাশের মানুষ দেখেন, পিছন থেকে আসা মোটরবাইকটির চালক এক হাতে বাইকের হাতল ধরে অন্য হাত এগিয়ে দিয়েছেন ছাত্রীর মাথার দিকে। যুবকের হাতে একদলা সিঁদুর।

রাস্তায় জোর করে সিঁদুর পরানোর অভিযোগে সরগরম ঝাড়গ্রাম, তদন্তে পুলিশ (Jhargram)

অভিযোগ ওঠে হঠাৎ পিছন থেকে এক যুবক তার পিছনে এসে চলন্ত বাইকে জোর করে সিঁদুর পরানোর চেষ্টা করে। পাশাপাশি চলন্ত বাইকের মধ্যে ধস্তাধস্তির ফলে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। পথচারী এবং গ্রাম পুলিশের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ঝাড়গ্রাম থানায় নিয়ে যায় (Jhargram)।

Jhargram abuzz with allegations of forced wearing of vermilion on the streets

আরও পড়ুন: নিয়ম বদল! ১ মার্চ থেকে লোকাল ট্রেনের টিকিট কাটতে এবার মানতে হবে নতুন শর্ত

ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দুপুরে গড়শালবানি এলাকার লোধাশুলির একটি ব্যস্ত রাস্তায় এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ছাত্রী সাধু রাম চাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাঁওতালি বিভাগের তৃতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী।পুলিশ এবং সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীটির আগের সম্পর্ক ছিল একই এলাকার এক যুবকের সঙ্গে। কয়েক মাস আগে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর, সে পড়াশোনায় মনোযোগ দেয়। তারপর থেকেই যুবক তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতে থাকে। পরীক্ষা শেষে ফেরার পথে, বাইকে করে এক ব্যক্তি ছাত্রীটির পিছন থেকে এসে তার চুল টেনে সিঁদুর লাগানোর চেষ্টা করে।

এই বিষয়ে ছাত্রী জানায়, “আমাদের আগে সম্পর্ক ছিল, কিন্তু এখন আর কিছু নেই। আমি পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু সে আমাকে বিরক্ত করতে থাকে। চলন্ত বাইকে সে তার চুল টেনে সিঁদুর লাগানোর চেষ্টা করে। আমি যদি কিছু করতাম তাহলে আমি বাইক থেকে পড়ে যেতাম।”

ছাত্রীর বাবা দাবি করেন, ছেলেটি কয়েকদিন ধরেই আমাকে বিরক্ত করছিল। আমি তাকে সতর্ক করেছিলাম। তবে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। কিন্তু এখন আমি আমার মেয়েকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে যাচ্ছি। মানিকপাড়া বিটি হাউস গ্রামের পুলিশ জানিয়েছে মনে হচ্ছিল ডাকাতি চলছে। তবে সামনে এগিয়ে আসলে দুটো বাইক থামল। আরেকটু হলে পরেই বাসের সামনে পড়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো (Jhargram)।