বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর আগেই রাজ্যের দুই আসনে উপনির্বাচন (Bye Elections)। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে ভোট। এবার এই দুই কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল কালীঘাট তৃণমূল (Trinamool Congress)। হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে টিকিট পেয়েছেন সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে লড়বেন রবিউল আলম চৌধুরী।
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা | (Trinamool Congress)
রবিবার সন্ধ্যায় তৃণমূলের তরফে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। সমাজমাধ্যমে লেখা হয়েছে, “আমাদের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত।“
আরও পড়ুনঃ অভিষেকের পিএ-কে টাকা পাঠাতেন বিধায়ক! জমি দুর্নীতির শিকড় কীভাবে ছড়িয়েছিল? চার্জশিটে বিস্ফোরক CID
পাশাপাশি জানানো হয়, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে দাঁড়াচ্ছেন রবিউল আলম চৌধুরী। দলের তরফে দুই প্রার্থীকেই শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের তরফে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়। আগামী ৬ অক্টোবর দুই কেন্দ্রে ভোট। ফলপ্রকাশ ৯ অক্টোবর। এই সূচি প্রকাশের পর থেকেই কোন দলের হয়ে কে দাঁড়াবেন সেই নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে। কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল, নন্দীগ্রামে দাঁড়াতে পারেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে।

ঋতব্রতপন্থী নতুন তৃণমূলের তরফেও জানানো হয়, মমতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তাঁরা কোনও প্রার্থী দেবে না। তবে শেষমেষ দেখা গেল ভোটে দাঁড়াননি তৃণমূল নেত্রী। হাইভোল্টেজ এই আসনে কালীঘাট তৃণমূলের বাজি সঞ্চিতা। অন্যদিকে রেজিনগর কেন্দ্রে মমতা শিবির আস্থা রেখেছে রবিউল আলম চৌধুরীর উপর।
প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা ভোটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর দু’টি করে আসনে জিতেছিলেন। পরবর্তীতে শুভেন্দু নন্দীগ্রাম ও হুমায়ুন রেজিনগর কেন্দ্র ছেড়ে দেন। আগামী ৬ অক্টোবর সেই দুই আসনেই উপনির্বাচন হবে।













