বাংলা হান্ট ডেস্ক:এবার কলকাতা মডেলের ধাঁচে কেএমডি(KMDA) এর আওতাধীন ৩৭টি পুরসভাকে বিভিন্ন আবাসনে পুর কর আদায়, মিউটেশন, ইত্যাদির জন্য শিবির করার নির্দেশিকা পাঠালো পুর দপ্তর। এই উদ্যোগের ফলে বাড়বে আয়। ২০২০-২০২১ অর্থ বর্ষে প্রথমবার আবাসনে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কলকাতা পুরসভা(KMC)। সেটা ছিল করোনার সময়। সে বছর আয় বাড়ায়, আবার একই পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
কলকাতা পুরসভার (KMC) ধাঁচে নতুন পদ্ধতি কেএমডিএ(KMDA)-এর
৩০ টির বেশি ফ্ল্যাট রয়েছে, এরকম আবাসনে পুর কর আদায়ের জন্য বিশেষ শিবিরের উদ্যোগ নিয়ে থাকে কলকাতা পুরসভা। আর তাতে সাড়া মেলে খুব ভালো। অনেকেই শিবিরে আসেন এবং মিটিয়ে দেন বকেয়া সম্পত্তি কর। মিউটেশন যাদের হয়নি, তারা ঐ শিবিরে এসে তা করিয়ে নেন। এবার এই পদ্ধতি চালু করতে চলেছে কেএমডিএ। কেএমডি এর আওতাধীন যে ৩৭ টি পুরসভা আছে, তাদের জন্য এই নির্দেশ আসলো।
পুর দপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, আবাসন শিবিরের মাধ্যমে গত বছর ৮২ কোটি টাকা আয় করেছে কলকাতা পুরসভা। কলকাতার লাগোয়া যে অন্যান্য আরও পুরসভা আছে, সেগুলোতে এই একই রকম শিবিরের আয়োজন করলে একলপ্তে আয় অনেকটাই বাড়বে বলে পুর দপ্তর সূত্রে দাবি করা হয়। করোনার সময়ও এই একইভাবে শিবিরের মাধ্যমে কর আদায় করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:নজরে SIR মামলা! আজও কি সুপ্রিম কোর্টে হাজির থাকবেন মমতা?

আবাসনের পাশাপাশি পুরসভা গুলির মধ্যে যে পাড়া রয়েছে, তাতে এরকম শিবির করলে আয় বাড়ানো সম্ভব, তাই পুর দপ্তর সেখানেও এরকম শিবিরের আয়োজন করার জন্য সুপারিশ করেছে। ২০-২১ সালে করোনার সময় এইভাবে কর আদায় এবং মিউটেশন বাবদ আয় হয়েছিল ৫২ কোটি টাকা। তারপর থেকে এইভাবে আবাসনে নিয়মিত শিবির করার সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা পুরসভা।
আরও পড়ুন:রাজি হয়ে গেল নবান্ন, সুপ্রিম শুনানির কয়েক ঘণ্টা আগেই বড় সিদ্ধান্ত
পুর দপ্তরের কর্তাদের বক্তব্য, এমন অনেকে আছেন যারা নির্দিষ্ট সময় সম্পত্তি কর জমা করতে চান। তবে পুর ভবনে গিয়ে বা অনলাইনে সম্পত্তি কর দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের অনীহা রয়েছে। বাড়ির দরজায় শিবিরের আয়োজন করলে সহজেই তাদের থেকে বকেয়া টাকা আদায় করা সম্ভব। আশা করা হচ্ছে পুরসভা গুলিতেও কেএমডি-এর এই মডেল অবশ্যই কার্যকরী হবে এবং আয়ও বাড়বে। তবে পুরসভা গুলি কতটা সুশৃঙ্খল ভাবে এই পরিকল্পনার রূপায়ণ করতে পারে, এখন সেটাই দেখার।












