নজরে SIR মামলা! আজও কি সুপ্রিম কোর্টে হাজির থাকবেন মমতা?

Published on:

Published on:

Mamata Banerjee Challenges Election Commission in Supreme Court Over SIR Process
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় ধরনের আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গত বুধবার আদালতে দাঁড়িয়ে তিনি নিজেই কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ তুলে ধরেন। আজ, সোমবার আবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। তাই প্রশ্ন উঠছে আজও কি মুখ্যমন্ত্রী আদালতে হাজির থাকবেন?

আদালতে সরাসরি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)

সেদিন আদালতে নিজেই হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সরাসরি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। দেশের রাজনীতিতে এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়। আদালতের সামনে তিনি বলেন, ভোটার তালিকায় সামান্য ভুল বা বানানের অসঙ্গতির জন্য যেন কোনও মানুষের নাম বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

কী অভিযোগ ছিল মুখ্যমন্ত্রীর?

মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) অভিযোগ, নামের বানান ভুলের মতো ছোটখাটো কারণে বহু মানুষকে শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই এই ধরনের নোটিস প্রত্যাহার করার আবেদনও তিনি আদালতের কাছে জানান। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে ৭ নম্বর ফর্ম জমা পড়েছে, তাঁদের নাম প্রকাশ করার দাবিও তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে, এতে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে।

শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি মুখ্যমন্ত্রীকে (Mamata Banerjee) নিজে সওয়াল করার সুযোগ দেন। সেই সুযোগ পেয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ। নিজের জন্য আসিনি। সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলতে এসেছি।” ।নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, কমিশনকে ছ’টি চিঠি দেওয়া হলেও একটিরও উত্তর পাওয়া যায়নি। আদালতে দাঁড়িয়ে কমিশনকে তিনি “হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন” বলেও কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, “এই পুরো প্রক্রিয়ার আসল উদ্দেশ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া।”

শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করার নির্দেশ দেয়। আদালত জানায়, পর্যাপ্ত যোগ্য অফিসার থাকলে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের প্রয়োজন নাও হতে পারে। একই সঙ্গে কমিশনকে আরও সংবেদনশীল হওয়ার এবং অকারণ নোটিস না পাঠানোর পরামর্শ দেয় বেঞ্চ।
এদিকে মামলার পরবর্তী শুনানির আগেই নবান্ন জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য রাজ্য সরকার ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিক দিতে প্রস্তুত। শনিবার চিঠি দিয়ে এই তথ্য নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।

State challenges ED affidavit in IPAC case before Supreme Court

আরও পড়ুনঃ ১১ ফেব্রুয়ারি বাবরি মসজিদ নির্মাণ শুরু, পরদিনই ‘বাবরি যাত্রা’ হুমায়ুনের, কী বার্তা দিতে চাইছেন?

আজ, সোমবার আবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তাই সবার নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের দিকে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন আজও কি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আদালতে হাজির থাকবেন? সূত্রের খবর, তিনি দিল্লিতে না গেলেও ভার্চুয়ালি শুনানিতে যোগ দিতে পারেন।