১১ ফেব্রুয়ারি বাবরি মসজিদ নির্মাণ শুরু, পরদিনই ‘বাবরি যাত্রা’ হুমায়ুনের, কী বার্তা দিতে চাইছেন?

Published on:

Published on:

Humayun Kabir Announces Babri Yatra from February 12
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাবরি মসজিদ ইস্যু বহু বছর ধরেই দেশের রাজনীতিতে বড় বিতর্কের বিষয়। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayum Kabir) নতুন করে রাজ্যে বাবরি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। সেই ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

১১ ফেব্রুয়ারি থেকে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করছেন হুমায়ুন (Humayum Kabir)

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে চলেছে। ওই দিন কোরান পাঠের মাধ্যমে কাজের সূচনা হবে বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবীর (Humayum Kabir)। তার ঠিক পরের দিন, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হবে তাঁর ঘোষিত ‘বাবরি যাত্রা’।

রবিবার মুর্শিদাবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই যাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করেন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর (Humayum Kabir)। তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে নদিয়ার পলাশি থেকে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার পর্যন্ত মোট ২৬৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে এই যাত্রা। মোট ১০০টি গাড়ি নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে। প্রত্যেক গাড়িতে চালক-সহ ছ’জন করে থাকবেন। অর্থাৎ প্রায় ৬০০ জন এই যাত্রায় অংশ নেবেন।

হুমায়ুন কবীরের (Humayum Kabir) দাবি, বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে ইদানীং নানা ধরনের অপপ্রচার চলছে। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। সেই অপপ্রচারের জবাব দিতেই এই যাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “আগেও কেউ কেউ এই বিষয় নিয়ে ভুল প্রচার করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা সফল হননি। এবারও যারা অপপ্রচার করছেন, তারাও ব্যর্থ হবেন।”

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই বাবরি যাত্রা আসলে হুমায়ুন কবীরের (Humayum Kabir) ভোটের প্রচারেরই অংশ। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর রাজ্যের শাসকদলকে হারানোর লক্ষ্যেই নতুন রাজনৈতিক কৌশল নিচ্ছেন তিনি। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, পুরো রাজ্য জুড়ে এই যাত্রার মাধ্যমে নিজের সংগঠনকে মজবুত করাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ প্রভিডেন্ট ফান্ড গ্রাহকদের জন্য খারাপ খবর! সুদ কমানোর পথে EPFO

আগেই বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন হুমায়ুন কবীর (Humayum Kabir)। এবার নির্মাণকাজ শুরু ও বাবরি যাত্রার ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে এই উদ্যোগ রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে? ভোটের আগে এই কর্মসূচি নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি করে কি না, সেটাই এখন দেখার।