বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সোমবার জগন্নাথ গুপ্তা ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সাইন্স এন্ড হসপিটালে (JIMS) আয়োজিত বাংলার স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ গঠন অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই আগামীদিনের ভবিষ্যৎ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিলেন সাংসদ তথা অভিনেত্রী।
প্রধান লক্ষ্য কি? জানালেন লকেট চট্টোপাধ্যায়
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বললেন, ‘তরুণ চিকিৎসক আর নার্সরা রয়েছেন এখানে। তাঁদের সাথে একটা ছোটখাটো আলাপ আলোচনা হল। তাঁরাই আগামীদিনে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমাদের সরকার ডবল ইঞ্জিনের সরকার। ‘
নেত্রীর সংযোজন, ‘আমাদের ফোকাস হল আমাদের যারা নতুন প্রজন্ম তারা আমাদের দেশকে কীভাবে দেখছে, তারা কী চাইছে, তাদের কী হলে ভালো হয়? তাদের সাথে সম্পূর্ণ একটা আলোচনা হয়েছে। খুব ভালো লেগেছে এবং আমি অ্যানাটমি মিউজিয়াম দেখেছি এবং আরো অনেক কিছু দেখলাম ডক্টরদের সাথে কথা হয়েছে প্রিন্সিপালের সাথে কথা হয়েছে খুব ভালো লাগলো।’
আরও পড়ুনঃ ‘একটা ভোটও তো দেননি, তবে সবাই সরকারি সুবিধা পাবেন’, গ্রামবাসীদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
এই হাসপাতালটিই একমাত্র হাসপাতাল যেখানে তৃণমূল সরকারের আমলেও আয়ুষ্মান কার্ডে চিকিৎসা হতো। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বললেন, ‘১৬ ই আগস্ট আমাদের আয়ুষ্মান দিবস পালিত হয়েছে, আমাদের মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী পালন করেছেন। যেখানে আয়ুষ্মান চালু ছিল না আগেই ওনারা তার ব্যবস্থা করে আয়ুষ্মান চালু করে দিয়েছেন। সবচেয়ে বড় জিনিস প্রথমেই হাসপাতালেই চালু হয়েছিল। ‘
রাজ্যবাসীকে আশ্বস্ত করে নেত্রী আরও বললেন, ‘আগামী দিনে তো আয়ুষ্মান আমাদের কাছে আসছেই। প্রত্যেকটা মানুষ, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। স্বাস্থ্যসাথীর মতন বা অন্য যেসব অসুবিধা ছিল সেগুলো আর হবে না। আর আয়ুষ্মান যোজনা এমন একটা কার্ড যেটা শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয় পশ্চিমবঙ্গের বাইরেও অনেক স্টেটে আমরা এটা নিয়ে ট্রিটমেন্ট করাতে পারবো।’
আরও পড়ুনঃ ‘ভারত বিরোধী মানসিকতা মন থেকে মুছে দেব’, যাদবপুর ইস্যুতে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ
প্রসঙ্গত অতীতে প্রাইভেট হাসপাতালগুলির এই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে বরাবরই একটা অভিযোগ ছিল। তবে আগামী দিনে আয়ুষ্মান যোজনা পুরোপুরি চালু হয়ে গেলে টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে কি অনেক সুবিধা হবে? জানতে চাওয়া হলে নেত্রী বললেন, ‘সেটা তো সরকার দেখবে। এখানে পাবে না বলে কেউ নেই, সকলেই পাবেন। প্রত্যেককে তার অধিকার নিশ্চয়ই দেওয়া হবে। তিন মাসের মধ্যে এই সরকার এসে অনেক কাজ করেছে, সময় দিতে হবে। আগামী দিনে আরও অনেক কাজ করবে। যারা ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন তাদেরকে বলব ধৈর্য ধরতে। সবার যা পাওনা রয়েছে সবাই নিশ্চয়ই সেই টাকা পয়সা পাবেন।













