বাংলা হান্ট ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ফলে যথারীতি বিশ্ববাজারে জ্বালানোর তেল ও গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। যার ফলে গ্যাস সরবরাহ ও জ্বালানি তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে নানা রকমের বিঘ্নিত প্রভাব পড়ছে। এর প্রভাবে ভারতের অনেক শহরে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন সাধারণ মানুষেরা। পাশাপাশি সময়মতো বাণিজ্যিক সিলিন্ডার না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বহু হোটেল ও রেস্তোরাঁর ব্যবসা (LPG Rules)। এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে বহু ছোট হোটেল ও রেস্তোরাঁ বর্তমানে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি কিছু জায়গায় দোকানদাররা ডোমেস্টিক এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। আজকের প্রতিবেদনে রইল ডোমেস্টিক ও বাণিজ্যিক এলপিজির মধ্যে পার্থক্য কি এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার করা আইনত অপরাধ কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য।
গ্যাস কেনার আগে এই নিয়ম না জানলে মুশকিল, ব্ল্যাকে কিনলেই শাস্তি (LPG Rules)
বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে, বহু দোকানদার বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার না পাওয়ার ফলে ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে আজকের প্রতিবেদনে রইল বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আসলেই ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার করা আইনত উচিত কিনা সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য (LPG Rules)।

প্রধানত বাণিজ্যিক সিলিন্ডার গুলো হোটেল, রেস্তোরাঁ, ধাবা ও অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলিতে ভর্তুকি না থাকায় দাম বেশি হয়। পাশাপাশি আইনত এলপিজি ব্যবহার ও বিতরণ ১৯৫৫ সালের অত্যাবশকীয় পণ্য আইন এবং ২০০০ সালের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস সরবরাহ ও বিতরণ নিয়ন্ত্রণ আদেশের অধীনে নিয়ন্ত্রিত হয়।
যেখানে এই নিয়ম অনুসারে, গার্হস্থ্য গ্যাসের বাণিজ্যিক ব্যবহারকে ‘ভর্তুকিপ্রাপ্ত এলপিজির অপব্যবহার’ বা ‘অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া’ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়াও কোন দোকানদার বা ব্যবসায়ীকে ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার করতে দেখা গেলে, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
প্রথমত ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ও গ্যাস কানেকশন বাজেয়াপ্ত করা হবে। এরপরে গ্যাস সংযোগ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে। যার ফলে তিনি পরে গ্যাস নাও পেতে পারেন। পাশাপাশি দোষী প্রমাণিত হলে তাদের জরিমানাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতে পারে। পরে সেই মামলা আদালত পর্যন্ত যেতে পারে।
এমনকি এই শাস্তি বিষয়ে সরাসরি ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় আইনের আওতায় পড়ে। যার ফলে দোষী সাব্যস্ত হলে সেই ব্যক্তির, সাত বছরের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি আদালত জরিমানা ও আরোপ করতে পারে। বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে এফআইআর ও জরিমানা উভয় একসঙ্গে আরোপ করা হয় এই সমস্ত বিষয়। তাছাড়া কেউ যদি বারংবার এই ধরনের অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে একদিকে যেমন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয় তেমনই তার দোকান বন্ধ করে দেওয়া আদেশ দেওয়া হয়ে থাকে বহু সময় (LPG Rules)।












