‘এখন রায় বেরোলেও..,’ DA মামলার রায়দান নিয়ে আশঙ্কা, হতাশায় ভেঙে পড়ছে কর্মচারী সমাজ

Published on:

Published on:

dearness allowance(114)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জানুয়ারি মাস শেষ হয়ে ফেব্রুয়ারীও শুরু হয়ে গেল। তবে সামনে এল না ডিএ মামলার রায়। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার (Dearness Allowance) চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয় সুপ্রিম কোর্টে। তারপর চার মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত। কবে মামলায় রায়দান করবে মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট? মুখ খুললেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়।

ডিএ মামলার রায়দান নিয়ে হতাশা! Dearness Allowance

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অপেক্ষা সমানে বাড়তে থাকায় প্রচন্ড হতাশা নিয়ে মলয়বাবু বলেন, ‘কর্মচারী সমাজ ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী সমাজকে জানান দিতে চাই, আজ পর্যন্ত ডিএ মামলার রায় কবে প্রকাশ পাবে তা আজও আমাদের কাছে অজানা। মনটা ঠিক রাখতে পারছি না স্বাভাবিকভাবেই কারণ কর্মচারীসমাজ বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী সমাজ, সকলেই ফোন করছে যে কবে রায়টা বেরোবে।’

মলয়বাবু বলেন’, ‘দশ বছর ধরে ডিএ মামলা আমরা লড়াই করে শুনানিটা শেষ করেছি। অনেকেই প্রশ্ন করছে, তাহলে কি অনন্তকাল অপেক্ষা করতে হবে? সত্যি কথা বলতে আমরা সেটা বলতে পারছি না। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। এখন রায় বেরোলেও তারা একটা নির্দিষ্ট সময় দেবে। সেই সময় যদি একেবারে ভোটের মুখে পড়ে সেখানে সরকার কতটা কার্যকর করবে বা করতে পারবে সেটাও সত্যি অজানা।’

আরও পড়ুন: কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে মেগা ফান্ডিং! বাজেটে কোথায় কত টাকা বরাদ্দ করলেন নির্মলা? জানুন

তিঁনি বলেন, ‘অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী সমাজ কান্নায় ভেঙে পড়ছে আমাদের কাছে। আমরা কি আর জীবদ্দশায় ডিএ টা পাব না? কোনো উত্তর নেই। আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আদালত, গণতান্ত্রিক নিয়ম অনুসারে বিচার হয়, পরে রায় প্রকাশ পায়। রায় অবশ্যই রিজার্ভ থাকে। শোনা গেছে, তার একটা নির্দিষ্ট সময়সীমাও রয়েছে। প্রধান বিচারপতিরও জানার মধ্যে রয়েছে ডিএ মামলা। তিঁনিও যদি উদ্যোগ নেন। আমরা কোনো লিখিত আবেদন করব না। আমরা সর্বোচ্চ আদালতের উপরেই ভরসা রাখছি।’ শেষে তিঁনি বলেন,’আশা রাখছি, ফেব্রুয়ারী মাসে কিছু একটা হবে।’

dearness allowance (12)

উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার (Dearness Allowance) চূড়ান্ত শুনানি শেষ হলেও রায়দান নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) তরফে কোনো আপডেট নেই। বর্তমানে রায় রিজার্ভ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি সমাপ্ত হয়েছে। এই বেঞ্চই মামলার রায়দান করবে বলে মনে করা হচ্ছে।