চেয়েও মিলছে না মমতার শ্রীরামপুরে মিছিলের অনুমতি! কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

Published on:

Published on:

Mamata Banerjee goes to Calcutta High Court over permission for rally in Serampore
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মিছিলের অনুমতি পাচ্ছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। হ্যাঁ ঠিকই দেখছেন! সম্প্রতি এমনই অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কালীঘাট তৃণমূল। এমনকি এই মামলা সোমবার হাইকোর্টে গ্রহণও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি এসপ্তাহেই শুনানি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

শ্রীরামপুরের মিছিলের অনুমতি পাচ্ছেন না মমতা

সম্প্রতি চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল যে, নেত্রী মমতা বান্ধোপাধ্যায় হুগলির শ্রীরামপুরে একটি মিছিল করতে চেয়ে অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটি কিছুতেই মঞ্জুর করা হচ্ছে না। আগামী ১১ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার শ্রীরামপুরের মাহেশ থেকে কোর্ট চত্বর অবধি একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই মর্মেই নিয়ম মাফিক স্থানীয় পুলিশকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। তারপরেই সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল। সোমবার এই মামলা বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে উঠেছিল, যেখানে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘সরকারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়’, বিগত সরকারদের দুষলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

মমতাকে কটাক্ষ শমীক ভট্টাচার্যের

রাজ্যের ক্ষমতার পালাবদলের পর এই প্রথম কোনো মিছিলে দেখা যেতে পারে মমতাকে। অবশ্য যদি হাই কোর্ট এই মিছিলে তাঁর উপস্থিতিতে মঞ্জুরি দেয়। যদিও পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর মতে, ‘মিছিল উনি করতেই পারেন। হাঁটা-চলা করাটা শরীরের পক্ষে ভালো। উনি সুস্থ থাকুন, কাজের মধ্যে থাকুন। এপার-ওপার ছোটাছুটি করুন, দিল্লিতে গিয়ে ধর্নায় বসুন কিংবা মঙ্গলগ্রহ অভিযান করুন। ওনার যা ইচ্ছা তাই করবেন উনি।

প্রসঙ্গত, একদিকে যখন মিছিলের অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল। তখন অন্যদিকে শ্রীরামপুর ও রিষড়া থানা মিলে রিষড়া পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান জাহিদ হাসানের ঘনিষ্ঠ চারজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এই প্রেক্ষিতে তৃণমূলের অভিযোগ মিছিলের আগে ইচ্ছে করেই নেতা থেকে শুরু করে কর্মীদের ভুয়ো মামলায় ধরপাকড় করা হচ্ছে।