বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মাসে মাসে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) তিন হাজার টাকা পেয়ে খুশিতে ডগমগ রাজ্যের মহিলারা। তবে অনেকেই প্রথম দু’মাসের পর তৃতীয় মাসে এসেও ভাতা পাননি বলে অভিযোগ। অভিযোগ ঠিকঠাক ফর্ম পূরণ করার পরও, বহু আবেদনকারী অগাস্ট মাসের টাকা পাননি। যা নিয়ে বঞ্চিতদের ক্ষোভ বিক্ষোভ বাড়ছে। আবার অনেকে অযোগ্য হয়েও টাকা পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে টাকা না পেলে কী করণীয়? জানালেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ (Minister Shankar Ghosh)।
অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা দিতে বড় উদ্যোগ মন্ত্রীর | Annapurna Yojana
মুখ্যমন্ত্রী বারংবার আশ্বাস দিয়ে চলেছেন যে, যোগ্যরা সবাই টাকা পাবেন। কেউ বঞ্চিত হবেন না। সেই লক্ষ্যেই যাতে যোগ্যরা বাদ না যান, বিশেষ উদ্যোগ নিলেন শংকর ঘোষ। রবিবার নিজের সোশাল মিডিয়ায় এই বিষয়ে লাইভ করে মন্ত্রী বলেন, যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি, তাদের অনুরোধ সোমবার দুপুরের মধ্যে সমস্ত তথ্য জমা দিয়ে দিতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি শহরে মাত্র ৩৫হাজার মহিলা অন্নপূর্ণা পেয়েছে। যারা পাননি তারা বিক্ষোভে সামিল হচ্ছেন। মন্ত্রীর কাছেও বহু মহিলা অভিযোগ জানিয়েছেন যে তারা এখনও টাকা পায়নি। তাই শহরের মহিলাদের সমস্যা নিরসনে তৎপর বিধায়ক। যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনা পাননি, তিনি হিলকার্ট রোডে তাদের বিধায়ক কার্যালয়ে নাম জমা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
লাইভে মন্ত্রীর বার্তা, “যিনি বা যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি, তাঁরা দ্রুত বিধায়ক কার্যালয়ে গিয়ে সোমবার দুপুর দেড়টার মধ্যে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার পাশাপাশি সমস্ত তথ্য জমা দিন। আমি সেটা নারী শিশু কল্যাণমন্ত্রীর কাছে জমা দেব।” আবেদনকারীদের আশ্বাস দিয়ে বিধায়ক বলেন, “আপনাদের ঘাবড়ানোর কিছু নেই। ৩৫ হাজার মহিলা পেয়েছেন। বাকিরাও পেয়ে যাবেন। কিছু সমস্যার কারণে হয়তো আসেনি। আপনারা তথ্য জমা দিলেই বাকিটা আমি দেখে নেব।”

আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টের পর এবার স্পিকারের ‘আদালত’, ২০ বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদের সামনে বড় পরীক্ষা!
সম্প্রতি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন কি না, তা যাচাই করতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যান শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। শিলিগুড়ির প্রতি বুথের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে যাঁরা ইতিমধ্যেই আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন তাঁদের বাড়িতে ‘গর্বিত প্রাপক’ স্টিকার লাগিয়ে দিয়ে আসেন। এদিনও তিনি অনুরোধ করেন, যারা পেয়েছেন তাদের বাড়িতে ওয়ার্ড থেকে লোকজন গেলে স্টিকার সাঁটাতে সহযোগিতা করতে। একইসাথে দেরি হলেও সকলেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।













