বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূল (Trinamool Congress) ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া ২০ সাংসদের সামনে এখন বড় পরীক্ষা। তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি উঠেছে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও চলছে। এর মধ্যেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের জবাব দিতে বলেছেন। ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেই জবাব দিতে হবে। ফলে এখন প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত সাংসদ পদ থাকবে তো?
বিদ্রোহী তৃণমূলদের (Trinamool Congress) কাছে কী জবাব চেয়েছেন স্পিকার?
গত ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ২০ সাংসদকে চিঠি দেন ওম বিড়লা। চিঠিতে তৃণমূলের (Trinamool Congress) লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি করেছেন সেটা কেন মানা হবে না তার জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব দেওয়ার সাত দিনের সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে ১ সেপ্টেম্বর। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ফের সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি রয়েছে।
একই চিঠিতে জবাব ২০ বিদ্রোহী তৃণমূলের
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আইনজীবীরা জবাব তৈরি করছেন। এক-দু’দিনের মধ্যেই তা স্পিকারের কাছে পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, তাঁরা এনডিএ-র শরিক হিসাবেই নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। কাকলি ঘোষদস্তিদারও জানিয়েছেন, ২০ জনকে আলাদা চিঠি দেওয়া হলেও তাঁরা একসঙ্গে একটি চিঠিতেই জবাব দেবেন। তাঁদের দাবি, গত ১৪ জুনই দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য একসঙ্গে তৃণমূল (Trinamool Congress) থেকে এনসিপিআই-তে যাওয়ার কথা স্পিকারকে জানানো হয়েছিল। তবে বিদ্রোহীদের মধ্যেও মতের কিছুটা অমিল রয়েছে। আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যোগ দেবেন না।
এবার প্রিভিলেজ কমিটিতে যাবে?
সূত্রের খবর, ২০ সাংসদের জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি প্রিভিলেজ কমিটিতে পাঠাতে পারেন স্পিকার। এর আগেও শিশির অধিকারীর সাংসদ পদ খারিজের দাবি প্রিভিলেজ কমিটিতে গিয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন চলে আসায় সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুনঃ মুছে ফেলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যাদবপুরে ফের দেওয়াল লিখন! কারা লিখল?
এবারও কি একই ঘটনা ঘটবে? প্রিভিলেজ কমিটির চেয়ারম্যান বিজেপির রবিশংকর প্রসাদ। ১৫ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন তৃণমূলের (Trinamool Congress) কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিষয়টি কমিটিতে গেলে দুই পক্ষকেই ডেকে বক্তব্য শোনা হতে পারে। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হবে, নাকি বিষয়টি আরও লম্বা হবে এখন সেটাই দেখার।













