বাংলা হান্ট ডেস্ক: চার মাস বিয়ে, তারপরেই শুরু সাংসারিক অশান্তি। তার জেরে ভাঙন। তারপর রাগের মাথায় খুন (Murder)। তবে খুন হয়েছেন যুবকের মা। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মগরাহাটের গোকর্ণী এলাকাতে। স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে, সেই নিয়ে অশান্তি। মাত্র চার মাস আগে বিয়ের এই পরিণতি।
কেন মাকে ছেলের হাতে খুন (Murder) হতে হলো?
পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী পারিবারিক কারণে ঝামেলা হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের নাম হলো আতাউল্লাহু গাজী। রাগ করে বাপের বাড়ি চলে যায় গাজীর স্ত্রী। পরিবারের মধ্যে অশান্তি চলছিল। এরপর স্ত্রীকে বাড়ি ফেরাতে মাকে বলেন আতাউল্লাহ। মায়ের উপর এ ব্যাপারে চাপ সৃষ্টি করছিলেন গাজী। পরিবার সূত্রে সেরকমই খবর। কিন্তু তার মা কোন ভাবেই তার স্ত্রীকে বাড়ি ফিরিয়ে না আনায়, মায়ের উপর ক্ষোভ ও আক্রোশ জমতে থাকে ওই যুবককে। তারপরেই ঘটে এরকম নৃশংস ঘটনা।
আরও পড়ুন:একঘেয়ে আটা-ময়দার লুচি খেতে খেতে বিরক্ত, বানিয়ে ফেলুন চিড়ে দিয়ে লুচি
গাজীকে পুলিশ আটক করার পর জিজ্ঞাসা বাদ শুরু করে। গাজী নিজের অপরাধ স্বীকার করে। খুনের পর সে পলাতক ছিল। অবশেষে তাকে ধামুয়া এলাকা থেকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেপ্তার করা হয়। শোনা যাচ্ছে তার কিছু মানসিক সমস্যা ছিল। তদন্তে জানা গেছে তিনি সেই সংক্রান্ত কিছু ওষুধ খেতেন। কি কারণে নব বিবাহিত বধূ তাকে ছেড়ে গেলেন সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:‘সর্বোচ্চ আদালতের ভূমিকা ন্যক্কারজনক হয় আমরা কী করতে পারি?’ DA মামলায় প্রশ্ন

জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, গাজী কোন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাকে হত্যা করে। থানার পক্ষ থেকে জানানো হয় ঘটনার তদন্ত চলছে। এই ঘটনাটির, তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে মগরাহাট থানার পুলিশ। গাজী ধামুয়া এলাকাতে আত্ম গোপন করেছিলেন। সেখান থেকেই পুলিশ তাকে আটক করে। মানসিক সমস্যা না পারিবারিক অশান্তি কিসের জেরে এই নৃশংস হত্যা, সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিয়ের চার মাসের মাথায় এরকম ঘটনা সত্যিই অনভিপ্রেত। তদন্তের জন্য এ ব্যাপারে পুলিশ পাড়া পড়শী আত্মীয়-স্বজন পরিবারের লোকজন সবাইকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবার ব্যবস্থা করছে।











