বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দুর্গাপুজোর আগেই নন্দীগ্রামের (Nandi Gram) জন্য বড় উপহার ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এবার তাঁর হস্তক্ষেপেই নতুন করে গতি পেতে চলেছে নন্দীগ্রামের বহু প্রতীক্ষিত একটি জল প্রকল্পের কাজ। জানা যাচ্ছে দীর্ঘ তিন বছর ধরে একেবারে ঢিমে তালে কাজ চলছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এই নন্দকুমার জল প্রকল্পের। বিষয়টি নজরে আসতেই এবার খোদ জেলা পরিষদকে এই জল প্রকল্পের কাজ তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নন্দীগ্রামের জল প্রকল্পের কাজ শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী
উল্লেখ্য এই জল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে উপকৃত হবেন কয়েক লক্ষ সাধারণ মানুষ। তাঁরা বেশিরভাগই হলেন নন্দীগ্রাম ১ ও ২ ব্লক সহ জেলার মোট চারটি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দা। জানা যাচ্ছে, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক এই জল প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য জেলা পরিষদের তদারকিতে এবার নির্মীয়মান এই মেগা জল প্রকল্পের মাধ্যমেই খুব অল্প সময়ের মধ্যেই প্রত্যেক বাড়ি-বাড়ি বিশুদ্ধ জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। প্রত্যেকে যাতে এই পরিশুদ্ধ জল পেতে পারেন তার জন্য রূপনারায়ণ নদী থেকে কাঁচা জল তুলে তা সুনির্দিষ্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নন্দকুমারের বনভেড়ারের কাছে। সেখানে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। পরবর্তীতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ওই জলই পরিশ্রুত ও পুরোপুরি পানের যোগ্য করে তোলা হবে।
আরও পড়ুনঃ ‘BJP-র কেউ নেতাজিকে কটু কথা বললে সেটা তার ব্যক্তিগত কথা, দলের নয়’, সাফ জানালেন অগ্নিমিত্রা
প্রতিটি বাড়িতে পাইপের মাধ্যমে পৌঁছাবে জল
জানা যাচ্ছে পরে ওই প্রক্রিয়াজাত পরিশ্রুত পানীয় জল পাইপলাইনের সাহায্যে নন্দীগ্রাম ১ ও ২ নম্বর ব্লকের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী চণ্ডীপুর এবং নন্দকুমার ব্লকের প্রতিটি বাড়িতেও পৌঁছে দেওয়া হবে। এরফলে এবার থেকে নন্দীগ্রামের কয়েক লক্ষ পরিবার দিনের পর দিন দূষিত পানীয় জল পান করার হাত থেকে রেহাই পাবেন।
আশা করা হচ্ছে সব কাজ ঠিক মতো এগোলে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যেই সমস্ত বকেয়া কাজ সম্পন্ন করে প্রকলত্যেকের বাড়িতে পরিশোধিত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া যাবে। অন্যদিকে এদিন এলাকা পরিদর্শনের কাজ সেরে জেলা পরিষদের সভাধিপতি বামদেব গুছাইত বলেছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘হর ঘর জল’-এর স্বপ্নকে বৃহত্তর আকারে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যেই এই প্রকল্পকে জেলার একটি মডেল প্রকল্প হিসাবে গড়ে তুলতে চাই।’’













