বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ডিএ, বেতন কমিশন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য স্বস্তির খবর দিল নবান্ন (Nabanna)। চিকিৎসা সংক্রান্ত সুবিধা যাতে বন্ধ না হয়, সেই কথা মাথায় রেখেই পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার সময়সীমা আরও এক দফা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এই নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ অর্থ দপ্তর।
কী নিয়ে নির্দেশিকা নবান্নের (Nabanna)?
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে কর্মরত সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য রাজ্যের অর্থ দপ্তর ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম’ বা WBHS-এ নাম নথিভুক্ত করার সময়সীমা নিয়ে এই নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। মেডিক্যাল সেলের পক্ষ থেকে এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। নতুন এই নির্দেশিকায় বহু কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে প্রশাসন।
অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পে এনরোলমেন্ট বা ডিজিটাল নথিভুক্তির শেষ তারিখ আরও এক দফা বাড়ানো হল। এর আগে এই সময়সীমা নির্ধারিত ছিল ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ পর্যন্ত। কিন্তু প্রশাসনের কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী, এখনও বহু সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগী এই পোর্টালে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেননি কিংবা ডিজিটাল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেননি। সেই কারণেই সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ করা হয়েছে।
কারা কারা এই সুবিধা পাবেন?
এই সময়সীমা বৃদ্ধির সুবিধা শুধু কর্মরত কর্মীদের জন্য নয়, অবসরপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। এই সিদ্ধান্তের আওতায় থাকছেন –
- রাজ্য সরকারের স্থায়ী কর্মচারীরা
- রাজ্য সরকারের পেনশনভোগী ও ফ্যামিলি পেনশনাররা
- পশ্চিমবঙ্গে কর্মরত অল ইন্ডিয়া সার্ভিস (AIS) অফিসার এবং তাঁদের পেনশনভোগীরা

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় কর্মীদের জন্য বড় খবর! জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিএ বৃদ্ধিতে সিলমোহর, কতটা বাড়ছে মহার্ঘ ভাতা?
কী করতে হবে কর্মীদের?
নবান্ন (Nabanna) তরফে জানানো হয়েছে যাঁরা এখনও পর্যন্ত WB Health Scheme-এর ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি, তাঁদের জন্য এটি কার্যত শেষ সুযোগ হতে পারে। অর্থ দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের দ্রুত তাঁদের নিজ নিজ অফিসের হেড অফ অফিস বা ডিডিও (DDO)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য আপডেট করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নাম নথিভুক্ত না হলে ভবিষ্যতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ক্যাশলেস সুবিধা বা রিইম্বার্সমেন্ট পেতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬-এর মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা জরুরি।












