মাত্র ৭ দিনেই বড়সড় বদল! সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের

Published on:

Published on:

Old land deed is not mandatory for Caste Certificate issue State Government gives new order
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে কবে থেকে সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) চালু হবে সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন রাজ্য সরকারের কর্মীরা। অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ইতিমধ্যেই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন ও তা গঠনও হয়ে গিয়েছে। সপ্তম বেতন কমিশনের এই কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসাবে ছিলেন প্রাক্তন IAS অফিসার অতনু চক্রবর্তী। কিন্তু এবার জানা যাচ্ছে বদলে দেওয়া হল চেয়ারম্যানকে, এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করেছে অর্থ দফতর।

বদলে গেল সপ্তম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান

সবেমাত্র একসপ্তাহ হয়েছিল অতনু চক্রবর্তী চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু গত ২২শে জুলাইয়ে গঠিত হওয়া সপ্তম বেতন কমিশনের যে কমিটি তার আংশিক সংশোধন করলেন রাজ্যপাল আর এন রবি। প্রাক্তন আইএএসের বদলে কমিটির নতুন চেয়ারম্যান হলেন প্রাক্তন অতিরিক্ত মুখ্য সচিব তথা অবসরপ্রাপ্ত IAS নবীন প্রকাশ। যদিও সরকারিভাবে এখনও এই পরিবর্তন কেন করা হয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

অর্থ দফতরের তরফে জারি করা বিজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলতি অর্থবর্ষ অর্থাৎ ২০২৬-২৭ এর মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার জন্য প্রস্তুতি। চলছে। একইসাথে বর্তমানে রাজ্য ও কেন্দ্রের মহার্ঘ্য ভাতার যে তফাৎ সেটাও ধীরে ধীরে কয়েকধাপে কমিয়ে শূন্য করা হবে।

আরও পড়ুনঃ ”স্বাস্থ্যসাথী” কার্ড ছিল, কাজ হত না! এবার কেন্দ্র-রাজ্যের সুবিধা পাবে জনতা জানালেন দিলীপ ঘোষ

চলতি অর্থবর্ষেই চালুর পথে 7th Pay Commission

গত ২১শে জুলাই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীজানান , সপ্তম বাতেন কমিশনের কার্যপরিধি ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন চালুর লক্ষ্য স্থির করেছে। এবার সেটা চালু হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

Nabanna notification regarding 7th Pay Commission

প্রসঙ্গত, বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেটেই সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা ২০% বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। যার ফলে আগে যেখানে মাত্র ১৮% হারে DA পাওয়া যেত, সেটাই এখন বেড়ে ৩৮% হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও এটি কার্যকর হয়নি, পুজোর মাস অর্থাৎ আগামী অক্টোবর থেকে ৩৮% হারে ডিএ মিলবে। একইসাথে সেদিন জানানো হয়েছিল, সরকার প্রয়োজনীয় হিসেবে করছে ও ধীরে ধীরে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যেকার ডিএর ব্যবধান কমিয়ে আনা হবে।