অফলাইনের দিন শেষ? সরকারি কর্মীদের ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনতে বড় পদক্ষেপ নবান্নের

Published on:

Published on:

Nabanna's big step to digitalize work for government employees
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কাগজের ব্যবহার কমিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার পরিধি বাড়াতে এবার আরও একধাপ পদক্ষেপ নিল রাজ্য প্রশাসন (West Bengal Government)। সরকারি দফতরের কাজকর্মে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মীদেরও (Government Employees) অনলাইন প্রশিক্ষণের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই অর্থ দফতরের অধীন কর্মীদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।

সরকারি কর্মীদের (Government Employees) ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনার পরিকল্পনা

সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে অর্থ দফতরের বিভিন্ন গ্রুপ সেল ও শাখায় কর্মরত আধিকারিক এবং কর্মীদের নির্দিষ্ট তথ্য চাওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রুপ ‘এ’ থেকে ‘ডি’—প্রতিটি স্তরের কর্মীর নাম, মোবাইল নম্বর এবং ই-মেল আইডি সংগ্রহ করতে হবে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পদ্ধতি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের যাবতীয় তথ্য সফট কপি অথবা এক্সেল ফাইলে নির্ধারিত ই-মেল ঠিকানায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১০ দিনের মধ্যেই এই কাজ শেষ করতে হবে। কেন এই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, সেটিও বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে। সরকারি কর্মীদের ‘ইন্টিগ্রেটেড গভর্নমেন্ট অনলাইন ট্রেনিং’ বা আইজিওটি কর্মযোগী মঞ্চে অনবোর্ড করানোই এর উদ্দেশ্য। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরকারি কর্মীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কোর্স এবং শেখার সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কর্মীদের শেখার অগ্রগতি এবং কোর্স সংক্রান্ত তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা করার সুযোগ তৈরি হবে। কোন কর্মী কোন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, কে কোন কোর্সে রয়েছেন কিংবা প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন কি না—এই ধরনের বিষয়গুলিও রাখা হবে। বিভিন্ন শাখায় ছড়িয়ে থাকা কর্মীদের একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার ফলে তথ্য আদানপ্রদানের ক্ষেত্রেও সময় বাঁচবে।

Nabanna's big step to digitalize work for government employees

আরও পড়ুন : TMCP-এর সভা ঘিরে নতুন অশান্তি! অনুমতি না মেলায় হাই কোর্টে কালীঘাট শিবির

কাগজের ফাইল ও অফলাইন নথিপত্রের উপর নির্ভরতা কমিয়ে তথ্য সংরক্ষণ এবং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করলে কাজের গতি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগও আরও সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মীদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।