বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোটের আবহে (West Bengal Assembly Election) প্রশাসনিক তৎপরতার মধ্যেই সামনে এল এক গুরুতর অভিযোগ, যা নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহল। ভোটের দায়িত্ব পেয়েও ভোটার তালিকায় নাম না থাকা, ইস্যুকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।
কী রায় দিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court) ?
ভোটের দায়িত্ব পেয়েছেন এদিকে ভোটার তালিকায় নামই নেই। এই মামলায় আবেদন করেছিলেন কাজী তাজউদ্দীন-সহ মোট সাতজন সরকারি কর্মচারী। তাঁদের মধ্যে একজন সহকারী অধ্যাপক। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব তাদের উপর অর্পণ করা হলেও, তাদের কারও নামই ভোটার তালিকায় নেই। বিষয়টি সামনে আসতেই তা নিয়ে শুরু হয় আইনি লড়াই ।
উল্লেখ্য, এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করে প্রশ্ন তোলেন, “সবার আবেদন একসঙ্গে কীভাবে শোনা সম্ভব? প্রত্যেকের মামলার ভিত্তি আলাদা, একই কারণে তো সবার নাম বাদ যায়নি।” আদালতের এই মন্তব্যেই স্পষ্ট হয় যে, প্রত্যেক আবেদনকারীর সমস্যা পৃথকভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
আদালত নির্দেশ দেয়, আপাতত শুধুমাত্র কাজী তাজউদ্দীনের আবেদনই দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আজকের মধ্যেই তার আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যদিকে, বাকি ছয়জন আবেদনকারীকে আলাদা করে পৃথক মামলা দায়ের করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন : ভোটের দিনে যাত্রীদের জন্য জরুরি আপডেট, কলকাতা মেট্রোর সময়সূচি এক নজরে দেখে নিন
একদিকে যেমন নির্দিষ্ট মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছে, তেমনি অন্য আবেদনকারীদের জন্যও আলাদা আইনি প্রক্রিয়ার পথ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের এই নির্দেশের ফলে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক ত্রুটি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।












