তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী! নতুন কোন সিদ্ধান্ত নিতেন চলেছেন মোদী?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। এর গোটা বিশ্বের ওপর পড়তে পারে এই আশঙ্কায় সতর্ক ভারতও। তাই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ফের জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। আগে একবার বৈঠক হলেও, নতুন করে পরিস্থিতি বদলানোর জেরে আবার শীর্ষস্তরে আলোচনা হচ্ছে কীভাবে দেশকে প্রস্তুত রাখা যায়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

আজ ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)

আজ সন্ধ্যা ৭টায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। মূলত পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করাই এই বৈঠকের উদ্দেশ্য। সূত্রের খবর, এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) এবং বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর (S. Jaishankar)। শুধু তাই নয়, কৃষি, বাণিজ্য, রেল, বন্দর, পেট্রোলিয়াম, শক্তি এবং অসামরিক উড়ান পরিবহণসহ একাধিক মন্ত্রকের প্রতিনিধিরাও এই বৈঠকে থাকবেন।

এর আগে গত ২২ মার্চও একই বিষয় নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। সেই বৈঠকে দেশের জরুরি প্রয়োজনীয় সামগ্রী, যেমন খাদ্য, জ্বালানি, সার ইত্যাদির মজুত ও সরবরাহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কোথাও ঘাটতি তৈরি হলে তার বিকল্প কী হতে পারে, সেটাও ভেবে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রধানমন্ত্রী তখন সব মন্ত্রীকে একসঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার বার্তাও দেন। পাশাপাশি ভোটের মুখে থাকা পাঁচটি রাজ্য বাদ দিয়ে বাকি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেন। সেখানেও একই বার্তা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কোনওভাবেই যাতে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

Narendra Modi calls for unity in the country over the Middle East war

আরও পড়ুনঃ মহুয়ার মন্তব্যে ঝড়! গুজরাটিদের কাছে নিজে ক্ষমা চাইলেন মমতা, কারণটা কী?

বর্তমান পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ায় আবার নতুন করে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) উপস্থিতিতে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরে যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক থাকে, সেই প্রস্তুতিই এখন কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।