পরিবেশ বাঁচাতে নতুন পথ, প্লাস্টিকের বোতল ফেরালে মিলছে টাকা! নন্দনকাননের উদ্যোগ ভাইরাল নেটদুনিয়ায়

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: পর্যটনে গিয়ে প্লাস্টিকের বোতল যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ নোংরা করার প্রবণতা রুখতে অভিনব উদ্যোগ নিল নন্দনকানন চিড়িয়াখানা (Nandankanan Zoological Park) । পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে সেখানে চালু হয়েছে একটি ‘রিফান্ড পলিসি’, যেখানে প্লাস্টিকের বোতল জমা দিলে ফেরত মিলছে নগদ টাকা। এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে এবং নেটিজ়েনদের কাছ থেকে প্রশংসাও কুড়িয়েছে।

পরিবেশ বাঁচাতে নতুন উদ্যোগ নন্দন কাননের (Nandankanan Zoological Park)

চিড়িয়াখানায় প্রবেশের সময় পর্যটকরা যদি প্লাস্টিকের জলের বোতল সঙ্গে নিয়ে যান, তবে তাঁদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে জমা রাখা হচ্ছে। ভ্রমণ শেষে নির্দিষ্ট কাউন্টারে খালি বোতল ফেরত দিলেই সেই টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। ফলে দর্শনার্থীরা আর বোতল ফেলে না দিয়ে তা সঙ্গে করে বের করে আনছেন। এতে একদিকে যেমন প্লাস্টিক দূষণ কমছে, অন্যদিকে মানুষের মধ্যে দায়িত্ববোধও বাড়ছে।

আরও পড়ুন: যুদ্ধের জেরে হরমুজ বন্ধ, বিকল্প খোঁজে দিল্লি, ভেনেজুয়েলা থেকে আসছে বিপুল অপরিশোধিত তেল

শুধু বোতল ফেরত দেওয়ার নিয়মেই থেমে থাকেনি কর্তৃপক্ষ। খাবারের প্যাকেজিং নিয়েও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেউ যদি প্লাস্টিকের প্যাকেটে খাবার নিয়ে আসেন, তবে তা গেটেই আটকে দেওয়া হচ্ছে। সেই খাবার কাগজের ঠোঙায় ভরে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ফলে চিড়িয়াখানার ভিতরে প্লাস্টিক বর্জ্য জমার সুযোগ অনেকটাই কমে এসেছে।

এই ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে প্রতিটি বোতলে একটি বিশেষ ট্যাগ লাগানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে কর্মীরা সহজেই বুঝতে পারছেন কোন বোতল ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং কোনটি নয়। জমা পড়া বোতলগুলো পরবর্তীতে রিসাইক্লিংয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে শুধু পরিবেশ নয়, খাঁচায় থাকা পশুপাখিদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে।

New Initiative of Nandankanan Zoological Park to Save the Environment

আরও পড়ুন: ট্রেন ছাড়ার ৩০ মিনিট আগেও বদলাতে পারবেন বোর্ডিং স্টেশন, জানুন প্রসেস

পরিবেশবান্ধব পর্যটনের ক্ষেত্রে নন্দন কাননের (Nandankanan Zoological Park) এই উদ্যোগ এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সাধারণ দর্শনার্থী থেকে পরিবেশপ্রেমী, সকলেই এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকেরই মত, দেশের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্র, উদ্যান বা চিড়িয়াখানাতেও এই ধরনের রিফান্ডেবল ডিপোজিট ব্যবস্থা চালু করা হলে প্লাস্টিক দূষণ কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।