বাংলা হান্ট ডেস্ক : প্লাস্টিকের নোট (Notes) চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পরই সামাজিক মাধ্যমে পুরনো নোট নিয়ে নতুন করে একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, আগামী ৩০ জুনের পর থেকে ১০, ২০, ৫০ এবং ১০০ টাকার কিছু পুরনো নোট আর ব্যাঙ্কের কোনও শাখায় গ্রহণ করা হবে না। এই পোস্ট ভাইরাল হতেই বহু মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি আবারও নোট বাতিলের পথে হাঁটছে ব্যাঙ্ক? বাস্তবে কী ঘটছে, তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।
বাতিল হচ্ছে পুরনো নোট (Notes)?
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া পোস্টে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালের আগের মহাত্মা গান্ধী সিরিজের ₹১০, ₹২০, ₹৫০ এবং ₹১০০ টাকার নোট ৩০ জুন, ২০২৬-এর পর থেকে ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্রের কোনও শাখা আর গ্রহণ করবে না। এই দাবির জেরে সাধারণ গ্রাহকদের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং অনেকেই পুরনো নোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন। তবে এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানিয়ে দিয়েছে ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র। নিজেদের সরকারি ফেসবুক পেজে #FakeMessageAlert হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ব্যাঙ্ক স্পষ্ট করেছে, এমন কোনও নির্দেশ বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভুয়ো বার্তা ছড়ানো হচ্ছে। যেখানে বলা হচ্ছে, ২০২৬ সালের ৩০ জুনের পর ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্রের শাখাগুলিতে ২০০৫ সালের আগের ₹১০, ₹২০, ₹৫০ এবং ₹১০০-র নোট নেওয়া হবে না। ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে এই তথ্যটি সম্পূর্ণ ভুল। গ্রাহকদের অনুরোধ করা হচ্ছে তারা যেন এই ধরনের বিভ্রান্তিকর বার্তায় বিশ্বাস না করেন ও তা শেয়ার না করেন। যেকোনও তথ্যের জন্য শুধুমাত্র অফিসিয়াল উৎসের ওপর ভরসা রাখুন।”
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছিল, ২০০৫ সালের আগের মহাত্মা গান্ধী সিরিজের নোটের ব্যবহার কমে যাওয়ায় গ্রাহকরা চাইলে সেগুলি ব্যাঙ্কে জমা দিয়ে বদলে নিতে পারেন। তবে সেই বিজ্ঞপ্তিতেই RBI স্পষ্ট করে দেয়, ওই নোটগুলির আইনি বৈধতা বহাল রয়েছে। অর্থাৎ, সেগুলিকে বাতিল করা হয়নি।

আরও পড়ুন : কলকাতায় আর হবে না হকার উচ্ছেদ! কোথায় বসতে পারবে জানিয়ে সমীক্ষা শুরুর নির্দেশ পুরসভার
এখনও পর্যন্ত RBI কিংবা দেশের কোনও ব্যাঙ্ক ২০০৫ সালের আগের ₹১০, ₹২০, ₹৫০ এবং ₹১০০ টাকার নোট প্রত্যাহারের কোনও নির্দেশ জারি করেনি। তাই পুরনো নোট নিয়ে কোনও গুজবে বিশ্বাস করার আগে সরকারি সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা জরুরি। ব্যাঙ্ক বা RBI-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া এই ধরনের ভাইরাল বার্তার কোনও ভিত্তি নেই।













