হুমকি-ছিনতাই অভিযোগে বিপাকে পবিত্র! হাই কোর্টের দরবারে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী

Published on:

Published on:

Pabitra Kar moves Calcutta High Court over FIR
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করকে (Pabitra Kar) ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে হুমকি ও ছিনতাইয়ের মামলা দায়ের হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেকে আইনি সুরক্ষা দিতে এবং মামলা খারিজ করানোর জন্য তিনি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। এখন এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

হাই কোর্টে পবিত্র কর (Pabitra Kar)

হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে এফআইআর দায়ের হওয়ার পরেই কলকাতা হাই কোর্টে যান নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর (Pabitra Kar)। শুক্রবার তিনি এফআইআর খারিজের আবেদন জানান। একইসঙ্গে নিজের জন্য রক্ষাকবচ চেয়ে দ্রুত শুনানির আবেদনও করা হয়। বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায় এই মামলার আবেদন গ্রহণ করেছেন। আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত

এই ঘটনার সূত্রপাত ৭ এপ্রিল। নন্দীগ্রামের কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা বুদ্ধদেব গিরি থানায় পবিত্র করের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই পবিত্র কর (Pabitra Kar)-সহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ৬ এপ্রিল নিজের বাড়ির কাছে বসে ছিলেন বুদ্ধদেব। সেই সময় পবিত্র কর দলবল নিয়ে ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে বলেন। কিন্তু বুদ্ধদেব তা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তাঁর কাছ থেকে ৩৭০০ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতিও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। নন্দীগ্রাম বরাবরই রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এবার সেখানে পবিত্র কর এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে লড়াই বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। দু’জনেই ওই এলাকার পরিচিত মুখ এবং নিজেদের প্রভাব রয়েছে।

Calcutta High Court

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই তৎপরতা, মোথাবাড়ি কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ নিল NIA

উল্লেখ্য, পবিত্র কর (Pabitra Kar) একসময় শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২১ সালের নির্বাচনের আগে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দুর অনুগামী হিসেবে। তবে কিছুদিনের মধ্যেই সেই সম্পর্কের অবনতি হয় এবং তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে যান। পরে, এ বছরের ১৭ মার্চ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি, ঠিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে।