একী কাণ্ড! মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটি, নেপথ্যে কোন কারণ?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: পাকিস্তানি (Pakistan) পুলিশ ও সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে সিকিউরিটি আউট পোস্টগুলি মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢেকে দিচ্ছে। এর নেপথ্যে একটি বিশেষ কারণও রয়েছে। মূলত, পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর ড্রোন হামলার ঘটনাতেই চিন্তিত পড়শি দেশ। উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের (Khyber Pakhtunkhwa) একটি আউটপোস্টে বিস্ফোরক বোঝাই একটি ড্রোন হামলা (Drone Attack) চালানো হয়। তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান, যা সাধারণত পাকিস্তানি তালেবান (TTP) নামে পরিচিত, এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এই ঘটনাটি পাকিস্তানের ক্রমশ অবনতির সম্মুখীন নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে সামনে এনেছে।

মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানের (Pakistan) সেনা ঘাঁটি:

ড্রোন হামলার আশঙ্কা করছে পাকিস্তান: জানিয়ে রাখি যে, TTP আফগান সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার (১৮ মাইল) দূরে হাঙ্গু জেলার সারকি পিয়ালা পুলিশ ফাঁড়িটি ঘিরে ফেলে এবং গুলি চালায়। এই এলাকাটি TTP-র শক্ত ঘাঁটি হিসাবে বিবেচিত হয়। হাঙ্গুতে অবস্থিত পাকিস্তানি সেনা ঘাঁটিতেও বেশ কয়েকবার হামলা হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী সিকিউরিটি কভার ছাড়া তাদের ব্যারাক থেকে বের হয় না। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের অস্তিত্ব বলতে গেলে নেই।

Pakistan army base is being covered with fishing nets, what is the reason behind it?

সিকিউরিটি আউট পোস্ট মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে:  ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা পেতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী মাছ ধরার জাল দিয়ে আউট পোস্ট ঢেকে দেওয়া শুরু করেছে। এটি একটি সাশ্রয়ী সমাধান, যা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ওপর আর্থিক বোঝাও কমিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সামরিক আউটপোস্টগুলিতে পাতা এই জালগুলি অত্যন্ত সরলভাবে তৈরি এবং জেলেরা মাছ ধরার জন্য সেগুলি ব্যবহার করে। সামরিক আউট পোস্টগুলিতে জাল লাগানোর কাজ দু’মাস আগে শুরু হয়।

আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ায় বড় পরিবর্তন! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম T20-তে কেমন হবে ভারতের সম্ভাব্য প্লেয়িং ইলেভেন?

ড্রোন প্রতিহত করতে সেনা মোতায়েন: পাকিস্তানি সেনারা অনুমান করছে যে, এই জালটি তাদেরকে শত্রুপক্ষের ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা করবে। তারা বলছে যে, যখনই কোনও ড্রোন জালে আঘাত করবে, সেটি সরাসরি সামরিক চৌকির ক্ষতি না করে দূরে বিস্ফোরিত হবে।

আরও পড়ুন: বিমানযাত্রীদের জন্য বড় ধাক্কা! ফুয়েল সারচার্জে বৃদ্ধি IndiGo-র, ফের বাড়বে টিকিটের দাম

এছাড়াও, শত্রুপক্ষের ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার জন্য, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত দক্ষ বন্দুকধারীদের প্রহরা হিসাবে মোতায়েন করা হচ্ছে, যাঁরা দিনে ২৪ ঘণ্টা আকাশের ওপর নজর রাখছেন। তাঁদের কাজ হল আকাশে শত্রুপক্ষের ড্রোনগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা।