১ লাখ অবধি জামানত মুক্ত লোনের সুযোগ! পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা কারা পাবেন? আবেদন পদ্ধতি জানুন

Published on:

Published on:

PM Vishwakarma Yojana eligibility criteria application process explained
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদলের পরেই একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু হয়েছে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা তথা পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার (PM Vishwakarma Yojana)। এই প্রকল্পের অধীন উপভোক্তারা ১ লক্ষ টাকা অবধি জামানত মুক্ত ঋণ পেতে পারেন। তবে পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার সুবিধা সবাই পান না। কারা এই প্রকল্পের (Government Scheme) সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, কীভাবে এই প্রকল্পে আবেদন করতে হয় জেনে নিন।

পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি | (PM Vishwakarma Yojana)

কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রকের একটি প্রকল্প হল বিশ্বকর্মা যোজনা। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই প্রকল্পের পথচলা শুরু। স্বর্ণকার, কুম্ভকার, মালাকার, কুমোর সহ বিভিন্ন ছোট কারিগর ও হস্তশিল্পীদের আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার জন্য এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত ক্ষুদ্র, মাঝারি কিংবা কুটির শিল্পের ক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ শালবনি জমি দুর্নীতিতে নাম জড়াল অভিষেকের! জেরায় আর কী কী জানিয়েছে সুমিত? বিস্ফোরক দাবি CID-র

এই প্রকল্পে আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট ১৮টি ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। এর মধ্যে স্বর্ণকার, কুম্ভকার, মালাকার, কুমোর সহ বেশ কিছু পেশা রয়েছে। আবেদনকারীর বয়স অন্তত ১৮ হতে হবে এবং তাঁকে স্বনিযুক্ত হতে হবে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু শর্ত রয়েছে।

পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার উপভোক্তাদের প্রথমে কয়েকদিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেখানে কাজের জন্য উন্নত দক্ষতা শেখানো হয়। এই প্রশিক্ষণ চলাকালীন রোজ ৫০০ টাকা করে স্টাইপেন্ড পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি টুলকিট ইনসেনটিভ হিসেবে ১৫ হাজার টাকাও মেলে।

এছাড়া কোনও উপভোক্তা নিজের ব্যবসা শুরু করতে চাইলে তাঁকে অল্প সুদে ঋণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ হওয়ার পর উপভোক্তারা ১ লাখ টাকা অবধি জামানত মুক্ত ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন। ১৮ মাস ধরে ধীরে ধীরে সেই ঋণ পরিশোধ করতে হয়।

পিএম বিশ্বকর্মা যোজনায় আবেদন করতে হলে প্রথমে এই প্রকল্পের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট https://pmvishwakarma.gov.in/ -এ যেতে হবে। এরপর হোমপেজ থেকে হাউ টু রেজিস্টার বিকল্পে ক্লিক করতে হবে। পরবর্তী ধাপে মোবাইল নম্বর যাচাই ও আধার কেওয়াইসি করতে হবে। সবশেষে রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ফিল আপ করে জমা দিয়ে দিতে হবে।

PM Vishwakarma

আবেদন যদি সফল হয়, তাহলে ডিজিটাল আইডি ও সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা যাবে। পরবর্তীতে নিজের দরকার অনুযায়ী ঋণ সহ অন্যান্য সুবিধা নেওয়া যেতে পারে।

পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই দেশের হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হয়েছেন। রাজ্যে পালাবদলের পর বাংলার মানুষও এই কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।