বাংলাহান্ট ডেস্ক : পরিস্থিতি আশঙ্কা করে অনেক আগেই চিঠি দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনকে। এমনকি ঘটনার দিনও পরিস্থিতির কথা জানানো হয়েছিল প্রশাসনকে। তারপরেও কেন আটক থাকতে হল বিচারকদের। মোথাবাড়ির (Mothabari) ঘটনায় আবারও উঠছে প্রশ্ন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে বিচারকদের উপরে হামলার ঘটনায়।
মোথাবাড়ির (Mothabari) ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
বুধবার মোথাবাড়িতে বিডিও অফিসে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থাকতে হয়েছিল বিচারকদের। এমনকি তাঁদের উপরে হামলার ঘটনাও ঘটে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে যে জুডিশিয়াল অফিসাররা এসআইআর এর কাজ করছেন তাঁদের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে কী করে? স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, এমনকি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

কেন ব্যবস্থা নিল না প্রশাসন: সূত্রের খবর অনুযায়ী, বুধবার বিডিও অফিসের বাইরে বিক্ষোভের পরিস্থিতিতে জেলা বিচারকের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে তা জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন বিচারকদের আটকে থাকতে হল? কেন কোনও ব্যবস্থা নিল না প্রশাসন? এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গের এডিজি (Mothabari) বলেন, দিনের বেলায় পুলিশ ওখানে ছিল। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলছিল। তাতে অসুবিধা হওয়ার তো কোনও কারণ নেই। জজরা সাধারণত সাড়ে ৫-৬ টা পর্যন্ত কাজ করেন। তারপরে তাঁদের বাবি যাওয়ার সময়েই তাঁদের বের করতে পারেনি পুলিশ। অনেক মহিলা, বাচ্চারা ছিল বলে ফোর্স ব্যবহার করতে দেরি হয়েছে, জানান এডিজি।
আরও পড়ুন : ট্রাইব্যুনাল গঠনের আগেই বড় ধাক্কা, সরে দাঁড়ালেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি তপেন সেন
আগেই দেওয়া হয়েছিল চিঠি: সূত্রের খবর, ২২ তারিখ জেলা বিচারকের মাধ্যমে বিচারকরা প্রশাসনের কাছে মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি ঠিক নয়। এরপর ২৩ তারিখ ৫ বিচারকের সই সমেত একটি চিঠিও দেন তাঁরা। সেখানে প্রথমেই নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল বলে খবর। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই চিঠিতে জুডিশিয়াল অফিসাররা তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন, ভোটার তালিকায় নাম তোলার অযোগ্য কিছু স্থানীয়দের দ্বারা নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন : বিচারাধীনদের জন্য গঠন হবে ট্রাইব্যুনাল, কীভাবে করতে হবে আবেদন? জানাল কমিশন
সূত্রের খবর অনুযায়ী, কাজের জায়গা মালদা শহরের আশেপাশে সরিয়ে আনার জন্যও নাকি আবেদন করেছিলেন বিচারকরা। কিন্তু ১০ দিন আগে জানতে পেরেও কেন প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিল না? উঠছে প্রশ্ন। জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল বৈঠকে মালদার জেলাশাসককে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার প্রশ্ন করেন, তাঁকে ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি কেন? কোথায় ছিলেন তিনি? মালদহের পুলিশ সুপারকেও প্রশ্ন করা হয়, তিনি কেন ঘটনাস্থলে যাননি? উত্তরে তিনি জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।












