‘বুকে পাথর রেখে এই কথা’ বারুইপুর এনকাউন্টারের পর অভিযুক্তের মাকে নিয়ে যা বললেন রত্না দেবনাথ

Published on:

Published on:

What did Ratna Debnath say about mother of the accused in Baruipur case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তের পুলিশি এনকাউন্টার ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক। বারুইপুর কাণ্ডে এক অভিযুক্তের এনকাউন্টারের ঘটনাকে সমর্থন করেছেন পানিহাটির বিধায়িকা তথা আরজি কর-কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের মা রত্না দেবনাথও (Ratna Debnath)।

বারুইপুর কান্ডে এনকাউন্টারের ঘটনায় রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে তদন্তকারী দল অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।‌ ঘটনার পুনর্নির্মাণ চলাকালীন অভিযুক্ত পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালালে মৃত্যু হয় ওই অভিযুক্তের। গুরুতর জখম অবস্থায় অভিযুক্তকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পূর্ববর্তী সরকারের আমলে হওয়া আরজি কর-কাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরেই বিচার না মেলার অভিযোগ উঠে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটে বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তের এনকাউন্টারের খবর সামনে আসতেই প্রতিক্রিয়া দেন অভয়ার মা। পানিহাটির বিধায়িকা রত্না দেবনাথের কথায়, “এখানে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে আমরা যেমন এখনও বিচার পাইনি। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী শাসকের আইন নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পুলিশের বন্দুক নিয়ে তাদের দিকেই তাক করেছিল, তাই গুলি চালিয়েছে পুলিশ। আমি মনে করি, পুলিশ ভালো করেছে। একজন ধর্ষক শেষ হয়েছে। এভাবে যদি পদক্ষেপ করা হয়, তাহলে হয়তো বাচ্চা মেয়েদের বাঁচানো যাবে আগামীদিনে।” বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশি তৎপরতায় সুবিচার পাওয়ার কথা তুলে ধরেন পানিহাটির বিধায়ক।

What did Ratna Debnath say about mother of the accused in Baruipur case

আরও পড়ুন : ফের বাড়তে চলেছে মোবাইল রিচার্জের দাম! নতুন প্ল্যান কত হবে জানেন?

উল্লেখ্য, এনকাউন্টারে নিহত অভিযুক্তের মা ছেলের দেহ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পুলিশ যা করেছে তা সঠিক সিদ্ধান্ত। এই প্রসঙ্গেই রত্না দেবনাথের মন্তব্য, “এই মা বুকে পাথর রেখে এই কথা গুলি বলছেন। তাঁরও কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু অপরাধের বিরুদ্ধে তিনিও আমাদের মতোই প্রতিবাদ করেছেন। নিজের সন্তানকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। তিনি গতকালও বলেছিলেন, আমার ছেলে যদি অপরাধ করে থাকে, মায়ের কোল ফাঁকা করে থাকে, তাহলে ওঁকেও সাজা দেওয়া হোক। আমি ওঁর প্রতিক্রিয়া শুনেছিলাম। এই মা-ও একজন প্রতিবাদী, সাহসী মা।”বারুইপুরের এই এনকাউন্টারকে ঘিরে একদিকে যেমন পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে সমর্থনের সুর শোনা যাচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর রাজ্যবাসীর।