আধার-জন্ম সার্টিফিকেটের জন্য আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না! বাংলায় শুরু ‘পরিচয়’, কীভাবে কাজ করবে এই প্রকল্প?

Published on:

Published on:

Parichay Project Brings Aadhaar and Certificates Home
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সন্তান জন্মের পর আধার কার্ড, জন্মের সার্টিফিকেট বা কাস্ট সার্টিফিকেট করতে গিয়ে আর বারবার অফিসে যেতে হবে না। বিশেষ করে চা-বাগানের মানুষদের এই সমস্যা অনেক বেশি হয়। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই নতুন ব্যবস্থা চালু করল মালবাজার মহকুমা প্রশাসন। রাজ্যে প্রথম পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে শুরু হল ‘পরিচয়’ (Parichay Project)। এই প্রকল্পে শিশুর জন্মের পর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরির কাজ হাসপাতাল থেকেই শুরু হবে। পরে সেই নথি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

Parichay Project : কী এই ‘পরিচয়’ প্রকল্প?

জলপাইগুড়ির মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে পোস্ট অফিসের একজন কর্মী থাকবেন। শিশুর আধার তৈরির জন্য সেখানেই এনরোলমেন্ট করা হবে। সাধারণত আধার এনরোলমেন্ট নম্বর তৈরি হতে প্রায় সাত দিন সময় লাগে। নম্বর তৈরি হয়ে গেলে সেটি পোর্টালে দেওয়া হবে। তারপর সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত বা পুরসভাকে জানানো হবে। এরপর পঞ্চায়েত বা পুরসভার কর্মীরা শিশুর কাস্ট সার্টিফিকেটের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য নিতে পরিবারের বাড়িতে যাবেন।

হাসপাতাল থেকেই শুরু হবে কাজ

শিশু জন্মানোর পর হাসপাতালেই জন্মের সার্টিফিকেটের ফর্ম পূরণ করা হবে। একইসঙ্গে আধার এবং কাস্ট সার্টিফিকেট তৈরির কাজও শুরু হবে। ফলে এই তিনটি নথির জন্য পরিবারের লোকজনকে আলাদা করে বিভিন্ন অফিসে ঘুরতে হবে না।

২১ দিনের মধ্যে নথি দেওয়ার লক্ষ্য

প্রশাসনের লক্ষ্য, প্রায় ২১ দিনের মধ্যেই আধার কার্ড, জন্মের সার্টিফিকেট এবং কাস্ট সার্টিফিকেট বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া। তবে কোনও কারণে দেরি হলে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কাজের (Parichay Project) জন্য বিশেষ অ্যাপ এবং একটি তথ্যভিত্তিক পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে।

Aadhaar Card not receiving the OTP check your update status

আরও পড়ুনঃ পুজোর আগে রেশনে বড় খবর! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন দাম

মালবাজারের মহকুমা শাসক উৎকর্ষ খন্ডালের উদ্যোগে এই প্রকল্প (Parichay Project)শুরু হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের উদ্যোগ প্রথমবার নেওয়া হল।