দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটে হাওয়া গরম! ৭৭ টি বুথে পুনর্নির্বাচনের আবেদন, অভিষেকের ডায়মন্ড হারবারেই ৬৪

Published on:

Published on:

Re-election petitions are filed in 77 booths in 2nd phase of West Bengal Assembly Election
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ (West Bengal Assembly election) শেষ হতেই রাজ্যের একাধিক কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। প্রথম দফায় কোনও পুনর্নির্বাচনের (Re poll) দাবি ওঠেনি, সেখানে দ্বিতীয় দফার পরই বেশ কিছু বুথে ফের ভোট নেওয়ার দাবি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।

কোথায় হবে পুনর্নির্বাচন (West Bengal Assembly election)

বুধবার ভোট মিটতেই চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের আবেদন জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের পক্ষ থেকেই এই দাবি তোলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই চারটি বিধানসভা আসন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত।

যে বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচনের আবেদন জানানো হয়েছে, তার মধ্যে ফলতা বিধানসভায় মোট ৩২টি বুথ। পুনর্নির্বাচনের দাবি উঠেছে
ডায়মন্ড হারবারে ২৯টি বুথ, মগরাহাট পূর্বে ১৩টি এবং বজবজে ৩টি বুথেও। ফলতা, ডায়মন্ড হারবার ও বজবজ—এই তিনটি কেন্দ্র তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকার মধ্যে পড়ে। অন্যদিকে, মগরাহাট পূর্ব জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের অংশ।

যদিও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানায়নি, তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, বেশিরভাগ অভিযোগই এসেছে বিজেপির তরফে। ইতিমধ্যেই ফলতা কেন্দ্রকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মাকে নিয়ে তৃণমূলের তরফে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

এর পাশাপাশি ভোটের দিন ফলতার ১৭০ ও ১৮৯ নম্বর বুথে ইভিএম নিয়ে গড়মিলের অভিযোগ ওঠে। দাবি করা হয়, ওই মেশিনগুলিতে ‘টেপ’ লাগানো ছিল, যা নিয়েও জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে।

Re-election petitions are filed in 77 booths in 2nd phase of West Bengal Assembly Election

আরও পড়ুন : ভোট শেষ, এবার কি বাড়বে তেলের দাম? জল্পনার মাঝেই বড় বার্তা কেন্দ্রের

দ্বিতীয় দফায় সাতটি জেলার ১৪২টি বিধানসভা আসনের ৪১ হাজারেরও বেশি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে। তার আগে প্রথম দফায় ১৫২টি আসনের ৪৪ হাজারের বেশি বুথে ভোট হলেও কোথাও পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। দ্বিতীয় দফার ভোটকে ঘিরে ওঠা এই অভিযোগ এবং পুনর্নির্বাচনের দাবি রাজ্যের নির্বাচনী পরিস্থিতিকে নতুন করে চাপে ফেলেছে। এখন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই নজরে রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ ভোটারদের।