বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের দিয়ে রাজনৈতিক প্রচারের অভিযোগে সরগরম বাংলা। এই এক অভিযোগ নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মমতা তৃণমূল (TMC) সহ বিরোধীরা। সাংবাদিক বৈঠক করে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষও। এরই মধ্যে উল্টো আঙুল উঠল তাঁদের নিজেদের দলের বিরুদ্ধেই। মমতা, অভিষেকদের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন একসময়ের তৃণমূল তথা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ বর্তমানে ঋত তৃণমূলে নাম লেখানো ঋজু দত্ত (Riju Dutta)। কোটি কোটি টাকার বাজেট তৈরি করে আইপ্যাক ইউটিউবার ভাড়া করেছিল বলে দাবি করেন তিনি। যা নিয়ে তৃণমূলের দিকেই অভিযোগের বুমেরাং।
তৃণমূলের ‘কীর্তি’ ফাঁস করলেন ঋজু | (Riju Dutta)
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ঋত শিবির তথা গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ঋজু বলেন, “আইপ্যাকের বাজেট ছিল কয়েক কোটি টাকার। বিভিন্ন ইউটিউবারদের কাজে লাগানো হয়েছিল। শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে ন্যারেটিভ তৈরি করার জন্য নয়, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ন্যারেটিভ তৈরি করার জন্য তাঁদের কাজে লাগানো হয়।“
আরও পড়ুনঃ ফ্রি বাস পরিষেবা পেতে আধার বা ভোটারের হার্ড কপি মাস্ট? ফোনে দেখালে হবে কিনা জানুন
ঋজু দাবি করেন, শুভেন্দুকে নিশানা করে তাঁকে নিয়ে মিম বানানো থেকে শুরু করে তাঁর অতীতের বিভিন্ন জিনিস ঘেঁটে বের করে এনে সেগুলো নিয়ে ‘নোংরামি’ করার জন্য মোটা টাকা খরচ করেছিল তৃণমূল। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে আইপ্যাক কোটি কোটি টাকার বাজেট তৈরি করে ইউটিউবারদের ভাড়া করেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ন্যারেটিভ তৈরি করার জন্য।“
গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা স্পষ্ট জানান, তাঁরা বিজেপির বিরোধী। তবে বিজেপি যে থিয়োরি অনুসরণ করে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের টাকা খাইয়ে নিজেদের প্রচার করেছিল, তাঁরা সেই বিষয়টির বিরোধী হলে, মমতা-অভিষেকদের কথাও বলতে হয়।

এদিকে শনিবার সকালেই এই ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছেন ইনফ্লুয়েন্সার তথা অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী। অনেকেই এই ইস্যুর সঙ্গে অলি পাবের ঘটনা জুড়ে দিয়েছিলেন। সেই সব দাবি খারিজ করে তিনি লেখেন, এসআইআর নিয়ে কিছু টেকনিক্যাল এক্সপ্ল্যানেশন, যুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রীর চুপ থাকার কারণ ও ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পর নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানানো অবধিই তাঁর কাজ সীমাবদ্ধ ছিল। পাশাপাশি বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে আরজে প্রিয়াঙ্কাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ঠিক কোন কারণে তিনি টাকা নিয়েছিলেন।













