বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তুঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা ঋজু দত্ত (Riju Dutta)। কিন্তু পরবর্তীতে ফলাফল ঘোষণার পর তাঁকে সেভাবে আর রাজনৈতিকভাবে দেখা যায়নি। গতকাল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা দিবস উপলক্ষে ঋতব্রত পন্থীদের মঞ্চে তাঁকে বক্তৃতা শোনা গিয়েছে। এরপরেই বাংলা হান্টের মুখোমুখি হয়ে এ প্রসঙ্গে ঋজু দত্ত বললেন, ‘প্রথম কথা বলে রাখি এটা কোনো ঋতব্রতপন্থী নয়, এটাই তৃণমূল কংগ্রেস। আর ওদিকে যেটা হচ্ছে সেটা পিসি ভাইপো প্রাইভেট লিমিটেডের সমাবেশ। এই পার্থক্যটা আপনারা ভাল করে বুঝুন।’
আমরা কারোর ভাইপো নয় : ঋজু দত্ত
তৃণমূল নেতার দাবী, ‘আমরা কারও ভাইপো নই। ঘষে ঘষে রাজনীতি করেছি। তিন মাস ধরে ঘরে বসে ছিলাম। আমরা তো রাজনীতির ছেলে, রাজনীতি করবো। আর যারা এই দলটাকে বিক্রি করে দিয়েছে, তারা বড় বড় মস্তানি করছে। এখনও পুলিশ পেটাচ্ছে। আইন আনাইনের পথে চলবে,পুলিশ পুলিশের পথে চলবে । আমরা তৃণমূল কংগ্রেস, আমরা বিরোধী। আমরা বিজেপির চোখে চোখ রেখে রাজনীতি করবো। এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের ওপর যাদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে, যাদেরকে ভুয়ো কেস দেওয়া হচ্ছে তাদের পাশে আমরা দাঁড়াবো।’
বিগত কয়েকদিন ধরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল ঋজু দত্ত বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। এমনকি সমাজ মাধ্যমেও উঠে এসেছিল এই ধরনের জল্পনা। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূল নেতা বললেন, ‘যে-কোনো লোক যে-কোনো পার্টিতে যেতে পারে। আগে দেখেননি? দেখেছেন তো? আমাদের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তিনিও তো আগে একটা অন্য দলে ছিলেন কে কোথায় যাবে এইসব আলোচনা মিডিয়াতেই হয়। যে যখন যেখানে যাবে, সেটা তো তখনই জানা যাবে।
আরও পড়ুনঃ ‘মা তারার আশীর্বাদে তৈরি সরকার’, তারাপীঠে পুজো দিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
এরপর তাঁর আরও সংযোজন, ‘আমি আপাতত ঋজু দত্ত ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ওপেন বলছি, আমি তৃণমূল কংগ্রেসে আছি। তৃণমূল কংগ্রেসে আমার রাজনৈতিক জন্ম। তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলাম আছি আর আগামীদিনে তৃণমূল কংগ্রেসেই থাকবো।’
ঋজু দত্তকে ছ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সরাসরি নাম নিয়ে তিনি বললেন, ‘আমাকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরে কুইজ মাস্টার। আর দশটা দিন দাঁড়িয়ে যান তারপর তারাই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হয়ে যাবে আর আমিই তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র হয়ে থাকবো।’













