বাংলা হান্ট ডেস্ক: শীতকালে মানুষ নানান জায়গায় ঘুরতে যায়। তবে ঘুরতে যাওয়ার কথা বললে আজকালকার দিনে মানুষ অফবিট জায়গায় যেতে বেশি পছন্দ করে। কারণ এইসব জায়গায় গেলে আপনি শহরের কোলাহল থেকে বেশ কিছুটা দূরে থাকতে পারবেন। আজকের প্রতিবেদনে রইল এমনই একটি জায়গা যেখানে গেলে সময় থমকে যায়। জায়গাটি হল সান্দাকফুর (Sandakphu) টুমলিং। যেখানে গেলে আপনি প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন।
শহরের কোলাহল ভুলে ঘুমন্ত টুমলিংয়ে হারিয়ে যান (Sandakphu)
কম সময়ে ঘুরে আসতে পারেন সান্দাকফুর টুমলিংয়ে (Sandakphu) হিমালয়ের কোলে অবস্থিত সান্দাকফু (Sandakphu)। সান্দাকফু যাওয়ার পথে সৌন্দর্যের ডালি নিয়ে অবস্থান ছোট্ট জনপদ টুমলিং (Tumling)। টুমলিং পূর্ব নেপালের ইলাম জেলার পাহাড়ি গ্রাম। ভ্রমণপ্রিয় মানুষদের আনাগোনার জন্য পর্যটনশিল্পকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে টুমলিংয়ের বসতি। রয়েছে এখানে মনোরম পরিবেশে ও রডোডেনড্রনের বাগান। পাশাপাশি এখান থেকে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের হাতছানি তো আছেই।

আরও পড়ুন: রান্নার সময় কমাতে চান? প্রেশার কুকারেই বানান ১ মিনিটে ১০ খানা রুটি
এখানে বাড়ি বলতে হাতেগোনা কুড়ি-পঁচিশের বেশি নয়। তাদের মধ্যে বড়সড় কাঠামো বলতে ছ’-সাতটা হোমস্টে। বাদ বাকি বেশির ভাগই কাঠের ছোট ছোট বাড়ি। এছাড়াও এখানে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যাও খুব বেশি নয়। উল্লেখ্য, টুমলিং জায়গাটির জাতীয় সড়ক বাদে সম্পূর্ণ বসতি নেপালের অন্তর্গত। এবার টুমলিংয়ে গেলে সেখানে ২রাত কাটিয়ে মানভঞ্জন, মেঘমা, টংলু ভিউ পয়েন্ট ঘুরে আসতে পারেন।
কি ভাবে যাবেন?
হাওড়া অথবা শিয়ালদহ থেকে নিউ জলপাইগুড়ি ট্রেন ধরতে হবে। এবার সেখান থেকে গাড়ি বুক করে চলে যান মানভঞ্জন। এখানে যেতে সময় লাগবে চার ঘন্টা। সেখান থেকে আবার সড়কপথে ঘন্টা খানেক পথ পেরোলে পৌঁছবেন টুমলিং। টুমলিং এ ২রাত কাটাতে পারেন। রাতের টুমলিং এর সৌন্দর্য আলাদা। এখানকার পরিবেশ আপনার মন ভালো করতে বাধ্য।
কোথায় থাকবেন?
সান্দাকফুর (Sandakphu), টুমলিং, মানভঞ্জন প্রধানত পর্যটক কেন্দ্রিক জায়গা। এখানে আপনি থাকার জন্য পাবেন বেশ কিছু হোমস্টে। পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গেলে আগের থেকে হোমস্টে বুকিং করে যাওয়া ভালো।












