‘স্ক্রিপ্টটা একটু কাঁচা হয়ে গিয়েছে…’, অলিপাব বিতর্কে কটাক্ষের মুখে সায়ক

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : অলিপাবের ‘বিফ স্টেক’ নিয়ে বিতর্ক যেন কাটছেই না। অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী (Sayak Chakraborty) সম্প্রতি অভিযোগ করেন, ওই রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে তাঁকে মাটন স্টেকের বদলে দেওয়া হয় বিফ স্টেক। এরপরেই সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁর কর্মী তথা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন সায়ক। শুধু তাই নয়, তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় ওই রেস্তোরাঁর কর্মীকেও। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকে সায়কের পাশে দাঁড়ালেও তাঁর বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন বহু মানুষ। এমনকি বিনোদুনিয়ার অনেকেও কটাক্ষ করেছেন সায়ককে।

অলিপাব বিতর্কে সমালোচনায় বিদ্ধ সায়ক (Sayak Chakraborty)

অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী তীব্র কটাক্ষ শানিয়ে লিখেছেন, ‘মটন মাখা-সন্দেশ পানিফল বিফ চিনেবাদাম কোনটা কী খেয়ে বোঝোনা?! তোমার স্বাদ কোরক নেই কুসুম??!’ অভিনেত্রী মানসী সিনহা লেখেন, ‘আমায় কেউ, না বলে গরুর মাংস খাওয়ালে আমি বুঝতেই পারব না। জীবনে খাইনি কিনা, তাই স্বাদ জানিনা। কিন্তু যদি জানা থাকতো, এক গরাস মুখে দিলেই বুঝতে পারতুম না? নাহ:, স্ক্রিপ্ট টা একটু কাঁচা হয়ে গেছে নো ডাউট, এবং একই সঙ্গে… এই আপত্তি, রাগ ইত্যাদির সঙ্গে ধর্ম টাকে এভাবে হাল্কা মিশিয়ে দেবার চেষ্টা টা বেশ বিরক্তিকর। একেবারে সহ্য হলো না।’

sayak Chakraborty trolled for olypub controversy

কটাক্ষ করেছেন অরিত্র: অরিত্র দত্ত বণিক লিখেছেন, ‘সবসময় গলা কাটা যায় গরীব ও ক্ষমতাহীনের যেমন অলিপাবের খাবার পরিবেশক গ্রেফতার হলেন এবং তার চাকরিটাও থাকবে কিনা সন্দেহ। যদিও কলকাতা পুলিশ বড় আকারের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ঝঞ্জা এড়ানোর জন্যেই এই গ্রেফতার করেছেন বলে আমার অনুমান, তবে স্পেকুলেশানের ভিত্তিতে আদৌ এই গ্রেফতার যুক্তিসম্মত হলো কিনা তা আমার জানা নেই, আশা রাখছি আদালত প্রোডাকশন লেভেলে জামিন দিয়ে দেবে।’

আরও পড়ুন : মাঝরাতে রোহিত শেট্টির বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি! পরিচালকের নিরাপত্তায় মোতায়েন পুলিশ বাহিনী

বিতর্কের মুখে সায়ক: তিনি আরও লিখেছেন, ‘বিক্রেতা ভুল খাবার পরিবেশন করলে ভুল করেছেন, কিন্তু ক্রেতা সচেতনতা বলেও একটা বিষয় থাকে, আচার ও ধর্মীয় বিধি মেনে রক্ষণশীল জীবন যাপন করতে হলে একজন ক্রেতার সেই দোকানে যাওয়া উচিৎ নয় যেখানে সম্পূর্ণভাবে তার ধর্মের বিপরীত আচারের খাদ্যদ্রব্য বিক্রয় হচ্ছে বছরের পর বছর। যে কোনো ধর্মের ক্রেতার উচিৎ এইটুকু সচেতন থাকা।’

আরও পড়ুন : পরীক্ষা শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগে মাধ্যমিকের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা পর্ষদের, চালু হল হেল্পলাইনও

প্রসঙ্গত, পার্কস্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় দায়ের হয় মামলা। সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী, কোনও নির্দিষ্ট শ্রেণির ধর্মীয় বিশ্বাসে ইচ্ছাকৃত আঘাত করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা কিংবা দুটোই হতে পারে। এই ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।