স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী, অমিল পাঠ্যবইও, পরীক্ষা হবে কী করে? চিন্তায় শিক্ষকরা

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : ভোট এসে পড়েছে দোরগোড়ায়। এবারের ভোট শান্তিপূর্ণ করতে অনেক আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে রাজ্যে। বিভিন্ন স্কুলে ঠাঁই হয়েছে তাঁদের। এদিকে এসবের খেলায় লাটে উঠতে বসেছে পড়ুয়াদের পড়াশোনা। স্কুলে (School Education) এসে ক্লাস করার বদলে আবারও অনলাইন ক্লাসে ফিরে যেতে হয়েছে বহু পড়ুয়াকে।

বিভিন্ন স্কুলে (School Education) রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

শহরের বিভিন্ন স্কুলে বর্তমানে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নবম দশম শ্রেণির ক্লাসরুমগুলিতে তাঁদের জায়গা দেওয়ায় স্কুল বিল্ডিংয়ের নীচের তলার ঘরগুলিতে ক্লাস হচ্ছে উঁচু শ্রেণির। এদিকে নীচু শ্রেণির ক্লাসরুম আটকে যাওয়ায় তাদের স্কুল আসা বন্ধ হয়েছে। শিক্ষক শিক্ষিকারা অবশ্য রোজই আসছেন স্কুলে। সেখান থেকেই অনলাইন ক্লাস নেওয়া হচ্ছে নীচু ক্লাসের পড়ুয়াদের।

School education is compromised due to upcoming election

পাঠ্যবইও মেলেনি পড়ুয়াদের: এর মধ্যে আরও একটি গুরুতর সমস্যা হল, কোনও কোনও স্কুলের (School Education) শিক্ষকদের এখনও বিএলওর দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ের আকালও রয়েছে। শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার এতদিন হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বহু পড়ুয়াই হাতে পায়নি বই। আবার এপ্রিল থেকেই শুরু হচ্ছে পরীক্ষা। এমতাবস্থায় পরীক্ষা হবে কীভাবে? উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুন : জ্বালানি সঙ্কটের মাঝে এবার নতুন শঙ্কা, ১৪.২ কেজির জায়গায় এবার মিলবে অর্ধেক ভর্তি সিলিন্ডার?

শিক্ষকদের করতে হচ্ছে বিএলওর কাজ: অভিযোগ, বহু স্কুলে এখনও অনেক শিক্ষক বিএলওর কাজ করছেন। বাকি যে শিক্ষকরা রয়েছেন, তারা পড়ুয়াদের সংখ্যার নিরিখে যথেষ্ট নয়। অনলাইনে ক্লাস করিয়ে কোনোভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন : মায়ের পছন্দ ছিল না রণজয়কে, বিয়ের পরে এ কী বললেন শ্যামৌপ্তি!

৪ এপ্রিল থেকে স্কুলে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার আগেই পরীক্ষা শেষ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সে জন্য পরীক্ষার সময় এগিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের অনুমতি না মিললে কী হবে? সেই চিন্তাই এখন কুরে কুরে খাচ্ছে শিক্ষকদের।