বাংলাহান্ট ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে জ্বালানির পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রভাব পড়ছে জ্বালানি (LPG Crisis) আমদানিতে। এমতাবস্থায় দেশে সরবরাহ অব্যাহত রাখায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে, একটি গ্যাস সিলিন্ডার বুক করার ২৫ দিন পরেই আরেকটি সিলিন্ডার বুক করা যাবে।
জ্বালানি সঙ্কটের (LPG Crisis) মাঝে নতুন সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা
জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য নানান সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্র। শোনা যাচ্ছে, পরিস্থিতি যদি ক্রমশ আরও খারাপ হয় তবে সিলিন্ডারে অর্ধেক গ্যাস ভরা হতে পারে। বর্তমানে এক একটি সিলিন্ডারে ১৪.২ কেজি এলপিজি গ্যাস ভরা থাকে। তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে এক একটি সিলিন্ডারে ৭ কেজি বা ১৪.২ কেজি গ্যাস ভরা হতে পারে। তবে এখনও এ বিষয়ে এখনও কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

গ্রাহকরা পড়বেন বিপদে: সূত্রের খবর, ন্যায্য বন্টন নিশ্চিত করতে, ঘাটতি রোধ করতে এবং কালোবাজারি কমাতে কিছু বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে চলছে আলোচনা। তেল বিপণন সংস্থা সূত্রে খবর, গৃহস্থের সিলিন্ডারে এলপিজির ব্যবহার কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে এতে গ্রাহকরা পড়েছেন মহা বিপদে। একটি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারই অনেক বাড়িতে পুরো মাস চলে না। তাহলে অর্ধেক গ্যাস (LPG Crisis) ভরা হলে তো মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই ফুরিয়ে যাবে। আবার এদিকে ২৫ দিনের আগে নতুন সিলিন্ডার বুক করাও যাবে না। তাহলে রান্নাটুকু কীভাবে করবে মানুষ? সেই চিন্তাই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুন : নির্বিঘ্নে নির্বাচনই লক্ষ্য, ৬ গাইডলাইন বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন
চিন্তায় পড়েছেন ডিলাররাও: এই প্রস্তাবে চিন্তিত এলপিজি ডিলাররাও। ইতিমধ্যেই সিলিন্ডারের প্রচুর চাহিদা, বুকিং ফেলের মতো সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও নতুন পরিবর্তন হলে জটিলতা আরও বাড়বে।
আরও পড়ুন : যুদ্ধের আবহে গরমে বাড়বে লোডশেডিংয়ের সমস্যা? কী জানালেন মোদী?
এদিকে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী সংসদে স্পষ্ট জানিয়েছেন, গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ২৫ দিনের ব্যবধান শুধুমাত্র শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। গ্রামের দিকে এই ব্যবধান ৪৫ দিন। আবার তেল বিপণন সংস্থার এক সূত্র মারফত খবর, ব্যবধান ২৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৩০ দিন করারও সম্ভাবনা প্রবল।












