বাংলা হান্ট ডেস্ক: দেখতে দেখতে প্রথম দফা নির্বাচন শেষ। সামনেই আছে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন নামে স্কুলগুলিতে পঠন পাঠন বন্ধ রয়েছে। যার ফলে পড়াশোনা নিয়ে যথারীতি সংশয় তৈরি হয়েছে অভিভাবক ও পড়ুয়াদের মধ্যে। কারণ এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কারণ এই সময় স্কুলগুলিতে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর আগামী কয়েকদিন সন্তানকে বাবা-মা’রা কিভাবে স্কুলে পাঠাবেন তা কোনোভাবেই বুঝে উঠতে পারছেন না। পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে না খাস কলকাতায় স্কুলের পড়ুয়াদের বাস গুলো (School Pool Car)। আর এর উত্তর নেই এই বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে। যার ফলে নির্বাচনের আবহে যথারীতি পঠন পাঠন নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।
ভোটের প্রভাবে স্কুলযাত্রা প্রশ্নের মুখে, ৪ মে পর্যন্ত অনিশ্চয়তা (School Pool Car)
ভোটের আবহে পুলিশের চাপে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একাধিক পুলকার পরিষেবা। পাশাপাশি স্কুলে যাওয়ার বাস ও পুলকার তুলে নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি খাস কলকাতায় স্কুলের পড়ুয়াদের বাস থেকে নামিয়ে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে। আর এই পরিস্থিতিতে পুলকার ও স্কুল বাসের মালিকদের ইউনিয়ন গুলি পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে (School Pool Car)।

আরও পড়ুন: ব্যাংকে কাজ ফেলে রাখবেন না! মে মাসে ১২ দিন বন্ধ, তালিকা এক নজরে দেখে নিন
জানা যাচ্ছে আপাতত চার তারিখ পর্যন্ত কোনভাবে পুলকার বা স্কুলের বাস গুলো তারা চালাতে চান না। এছাড়াও ২৭ তারিখ থেকে এই গাড়িগুলো তুলে নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পুলিশ নাকি জোর করেই এখন থেকে গাড়িগুলো তুলে নিচ্ছে।
এই কারণবশত শুক্রবার থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পুলকার পরিষেবা। কার্যতা হিসাব করলে প্রায় দশ দিন চলবেনা এই পুলকার গুলো। আর এই পরিষেবা বন্ধ থাকার ফলে যথারীতি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন পড়ুয়া থেকে অভিভাবকেরা।
সূত্রের খবর ২৭ তারিখ থেকে গাড়ি সব ভোটের কাজে লাগানো হবে।তাই গাড়ি হাতে পেতে পেতে ২৯ তারিখ রাত অথবা ৩০ তারিখ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যার ফলে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে পরিষেবা দেওয়া কার্যত সম্ভবপর নয়। মাঝে শনি-রবি, তারপর আবার ৪ মে ভোট গণনা। তাই এই নিয়ে পুলকার অ্যাসোসিয়েশন সবাই বেশ ক্ষুব্ধ (School Pool Car)।













