বাংলাহান্ট ডেস্ক : খাদ্যরসিক বাঙালির কাছে ইলিশের স্বাদ স্বর্গীয়। ইলিশের (Hilsa Fish) মরশুমে অনেকেই অপেক্ষা করে থাকে বাজারে বড় সাইজের মাছ আসার। তবে এবার বিভিন্ন কারণে বর্ষার মরশুমে কম পাওয়া গিয়েছে ইলিশ। কিন্তু এখন সরকারি নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করেই চলছে দেদারে খোকা ইলিশ ধরা এবং বিক্রি।
শীতের মরশুমে বিকোচ্ছে ইলিশ (Hilsa Fish)
শীত প্রায় যেতে বসেছে। অথচ এই সময়ই বাজারে নতুন করে বিকোচ্ছে ইলিশ। জানা যাচ্ছে, ফরাক্কা ব্যারেজ থেকে খোকা ইলিশ দরে বিক্রি করা হচ্ছে বাজারে। এদিকে ছোট ইলিশ ধরায় কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সরকারের। কারণ বর্ষাকালে ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জে তেমন ভাবে পাওয়া যাচ্ছে না ইলিশ। তাই বর্ষাকালে মাছের জোগান বজায় রাখতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সরকারি নির্দেশ সত্ত্বেও চলছে ধরপাকড়: কিন্তু সম্প্রতি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করেই ফরাক্কা ব্যারেজ এলাকায় চলছে ছোট ইলিশ ধরা। ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করে মৎস্যজীবীরা ধরছেন খোকা ইলিশ (Hilsa Fish)। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফরাক্কা ব্যারেজ এলাকায় গড়ে ৩০ থেকে ৪০ কেজি করে ইলিশ মাছ আসছে। প্রায় ৪০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ধরা পড়ছে।
আরও পড়ুন : সামান্য সর্দি-জ্বরেও দেদারে অ্যান্টিবায়োটিক, বড় বিপদ ঠেকাতে নতুন গাইডলাইন আনছে কেন্দ্র
কত টাকায় বিকোচ্ছে মাছ: জানা গিয়েছে, ফরাক্কা, রঘুনাথগঞ্জ, জঙ্গিপুর সহ বিভিন্ন বাজার গুলিতে গড়ে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে মাছগুলি। আর একটু বড় আকারের হলে কেজি প্রতি ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। মৎস্যজীবীরা জানান, ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করে ফরাক্কা ব্যারেজ এলাকা থেকে ধরা হচ্ছে ইলিশ।
আরও পড়ুন : ‘নাগিন’ রহস্যের সমাধান, উত্তরপ্রদেশের ঘটনায় নতুন মোড়
এদিকে বিষয়টি নিয়ে এবার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশ্ন উঠছে, এখন এত ছোট ইলিশ ধরা হলে বর্ষায় কীভাবে পাওয়া যাবে বড় ইলিশ? বিষয়টি মৎস্য দফতরেও জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ফরাক্কা ব্যারেজের মৎস্য দফতরের আধিকারিক জানান, ৯০ মিলিমিটারের কম ফাঁসযুক্ত জাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। ৯ ইঞ্চি বা ২৩ সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ বিক্রি এবং কেনা দুটোই অপরাধ বলে জানানো হয়েছে। এবার ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহারে আবারও প্রচার চালানো হবে বলে জানা যাচ্ছে।












