বাংলাহান্ট ডেস্ক : গ্যাস সঙ্কটের জেরে দেশ তথা রাজ্যেও জ্বালানি নিয়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। রান্নার গ্যাস সঠিক সময়ে পাওয়া যাবে তো? এটাই একটা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে আমজনতার কাছে। এমতাবস্থায় কিছুদিন আগেই কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, এবার থেকে রেশন দোকানেও পাওয়া যাবে কেরোসিন (Kerosene)। আর এবার রাজ্য সরকারের তরফে জরুরি ভিত্তিতে কেরোসিন তেল বন্টনের জন্য একটি আদর্শ কার্যপদ্ধতি জারি করা হয়েছে।
কেরোসিন (Kerosene) বন্টনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা
কোন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার থেকে কোন এজেন্ট কতটা কেরোসিন পাবেন তা কেন্দ্রের তরফে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে মোটামুটি ১২ কিলোলিটার করে কেরোসিন দেওয়া হয়েছে এজেন্টদের। আর এর জন্যই অতিরিক্ত ৪ হাজার কিলোলিটার কেরোসিন বরাদ্দ করা হয়েছে বলে খবর। খাদ্য দফতর সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, পেট্রোলিয়াম সরবরাহের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা, সেইসঙ্গে এলপিজি সঙ্কটের কথা মাথায় রেখে কেরোসিন বন্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়: নতুন যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, প্রতিটি পরিবারকে এককালীন ৫০০ মিলিলিটার করে কেরোসিন (Kerosene) দেওয়া হবে। রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমেই হবে পুরো বন্টন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই অতিরিক্ত বন্টন স্বচ্ছ ভাবে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। তদারকির ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিলার এবং এজেন্টদের অনলাইনের মাধ্যমে সমস্ত লেনদেন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : গ্যাস সঙ্কটে মেনু থেকে উধাও সব্জি-মাংসের পদ, কাঠের উনুনে ফিরছেন পাইস হোটেলের মালিকরা
ডিলারদের বিশেষ নির্দেশ: বিশেষ বরাদ্দের জন্য আলাদা রেজিস্টারও রাখতে বলা হয়েছে ডিলারদের। এই প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করার জন্য জেলা এবং মহকুমা স্তরে বিশেষ স্কোয়াড গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিদর্শক স্তরের আধিকারিকদের সশরীরে উপস্থিত থেকে বন্টন সংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : ধরা পড়লে জরিমানা থেকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড! বাড়িতে একসঙ্গে কতগুলি LPG সিলিন্ডার রাখা যায় জানেন?
ডিলারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দোকানে মজুত তেলের পরিমাণ, নির্ধারিত দর সবটাই স্থানীয় ভাষায় স্পষ্ট ভাবে লিখে ঝোলাতে হবে। প্রতি দিনের তেল উত্তোলন এবং সরবরাহের তথ্য সাপ্তাহিক ভিত্তিতে দপ্তরে জমা দিতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকা লঙ্ঘন করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।












