প্রায় দুই দশক পর ! মনোজ আগরওয়াল-এর জেলা সফরকে নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থা কেন্দ্রের

Published on:

Published on:

Special arrangements for CEO Manoj Agarwal's district visit
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোটের আগে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি। প্রতিটি জেলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য। আর সেই কারণেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের (Manoj Agarwal) সফরকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করতে, নেওয়া হল বিশেষ পদক্ষেপ।

মনোজ আগরওয়ালের (Manoj Agarwal) জন্য কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত

নির্বাচনের সময় দ্রুত যাতায়াতের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা বহুদিন ধরেই হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভর করেন। সেই পথেই এবার হাঁটছে নির্বাচন কমিশনও। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়ালের জেলা সফরের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে। এবার সড়কপথ এড়িয়ে আকাশপথেই তিনি এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাবেন।

পরবর্তী পরিদর্শনসূচিতে তিনি হেলিকপ্টার ব্যবহার করবেন বলেই জানা গেছে। ২০ এবং ২১ এপ্রিল মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তাঁর পরিদর্শনসূচি নির্ধারিত হয়েছে। রাজ্যে এবারের নির্বাচন দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় তথা শেষ দফা ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার আগে প্রস্তুতি কেমন হয়েছে সেটাই খতিয়ে দেখতে এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রের অনুমোদনের পরেই হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০০৬ সালে তৎকালীন সিইও দেবাশিস সেনও নির্বাচনী কাজের জন্য হেলিকপ্টারে জেলা সফর করেছিলেন। প্রায় দুই দশক পর আবার সেই পদ্ধতি ফিরছে। এতে প্রশাসনিক কাজের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। মনোজ আগরওয়ালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সম্প্রতি জোরদার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দপ্তরের তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বিএলওদের বিক্ষোভের ঘটনার পরই তার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।তারপরেই সিইও-র নিরাপত্তা ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরিতে করা হয়েছে।

Special arrangements for CEO Manoj Agarwal's district visit

আরও পড়ুন : সুপ্রিম রায়ের পরও বন্ধ দরজা! ট্রাইবুনালে ঢুকতেই পারলেন না ‘ডিলিটেড’ ভোটাররা

নির্বাচনের আগে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিইও। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের অভিযোগ ও দাবিদাওয়া শুনেছেন। নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতি জোরকদমে এগোচ্ছে। দ্রুততা বাড়াতে এবং তদারকি আরও শক্তিশালী করতে এই নতুন ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।