রাইটার্সে প্রশাসন, মমতার নবান্ন এবার কোন কাজে? ১৪ তলায় কী হবে?

Published on:

Published on:

Nabanna Bars Retired Officials Advisors Resign After Bengal Power Shift
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ হাওড়ার নবান্ন (Nabanna) গত ১৩ বছর ধরে রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাইটার্স বিল্ডিং ছেড়ে এখান থেকেই রাজ্য চালাত। কিন্তু এবার বাংলায় বিজেপি সরকার আসার পর প্রশাসনের ঠিকানা বদলানোর আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা যাচ্ছে, নতুন সরকার আবার রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই কাজ চালাতে চাইছে। আর সেই কারণেই নবান্নের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

নবান্ন (Nabanna) ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

এই ১৪ তলা ভবনটি (Nabanna) আসলে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে তৈরি হয়েছিল। তখন পরিকল্পনা ছিল, হাওড়ার বিভিন্ন হাট ও বস্ত্র ব্যবসাকে এক জায়গায় এনে বড় হাট কমপ্লেক্স তৈরি করা হবে। বিশেষ করে মঙ্গলাহাটের মতো বাজারগুলিকে এক ছাদের তলায় আনার ভাবনা ছিল।

কিন্তু সরকার বদলের পর সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। ২০১৩ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজ সরিয়ে এই ভবনে নিয়ে আসে। এরপর থেকেই ভবনটির নাম হয় ‘নবান্ন’। ধীরে ধীরে এটিই রাজ্যের প্রশাসনের মূল কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

এবার বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর জানা যাচ্ছে, তারা আবার রাইটার্স বিল্ডিং ব্যবহার করতে চাইছে। আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর অফিস বিধানসভা ভবনের ভিতরে রাখা হতে পারে বলেও খবর। তাই নবান্নে (Nabanna) আর প্রশাসনিক কাজ হবে কি না, তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে।

এদিকে নবান্ন (Nabanna) নিয়ে বিভিন্ন মত সামনে আসছে। এলাকার অনেক মানুষ চাইছেন, বাম আমলের পুরনো পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে আবার হাট কমপ্লেক্স তৈরি হোক। তাঁদের মতে, এতে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। তবে অনেকেই আবার বলছেন, এতে এলাকার পরিবেশ বদলে যেতে পারে। কেউ কেউ চাইছেন, ভবনটি অন্য সরকারি কাজে ব্যবহার করা হোক।

Nabanna Recognises Married Daughters in Death Gratuity Rule

আরও পড়ুনঃ ব্রিগেডে আবেগঘন মুহূর্ত! পশ্চিমবঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে ষষ্ঠাঙ্গে প্রণাম করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

এই বিষয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। সিপিএম নেতা সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ভবনটি (Nabanna) আবার বস্ত্রশিল্পের কাজে ব্যবহার করা হোক। অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ জানিয়েছেন, নতুন সরকার শিল্প, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের উপর জোর দেবে। তাঁর দাবি, হাওড়ার পুরনো শিল্পনগরীর পরিচয় ফিরিয়ে আনতেই কাজ করবে বিজেপি সরকার।