শুভেন্দুর শপথ নেওয়ার দিনেই বড় পদক্ষেপ SSC-র! প্রকাশিত হল ২০১৬-র SLST- র OMR শিট

Published on:

Published on:

SSC takes a big step on the day of CM Suvendu Adhikari's oath-taking ceremony.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে যখন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে তুমুল চর্চা চলছে, ঠিক সেই সময়েই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও আইনি টানাপোড়েনের পর অবশেষে ২০১৬ সালের এসএলএসটি (SLST) পরীক্ষার ওএমআর শিট প্রকাশ্যে আনল কমিশন। বহু চাকরিপ্রার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে সেই ওএমআর শিটগুলি।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) বিরাট পদক্ষেপ

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ওএমআর শিটে কারচুপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কমিশন। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, পরীক্ষার্থীদের আসল স্ক্যান কপি প্রকাশ করতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই এবং পুরো প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করে তুলতেই কমিশনের তরফে এবার ওএমআর শিট প্রকাশ করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট এখন অনলাইনে দেখা যাচ্ছে। পরীক্ষার্থীরা নিজেদের রোল নম্বর ও জন্মতারিখ ব্যবহার করে সহজেই নিজেদের ওএমআর শিট ডাউনলোড করতে পারছেন। এর ফলে নম্বর বদল, শিট ফাঁকা থাকা বা কারচুপির মতো যে সমস্ত অভিযোগ এতদিন ধরে উঠছিল, সেগুলি নিয়ে অনেকটাই স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ।

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণের দিনেই ওএমআর শিট প্রকাশ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরেই তৎকালীন শাসকদলকে আক্রমণ করে এসেছেন শুভেন্দু।

SSC takes a big step on the day of CM Suvendu Adhikari's oath-taking ceremony

আরও পড়ুন : ‘আমাকেই বলির পাঁঠা বানানো হয়েছিল’, মেসি-কাণ্ডে প্রথমবার মুখ খুললেন শতদ্রু দত্ত

চাকরিপ্রার্থীদের বক্তব্য, ওএমআর শিট প্রকাশ্যে আসার ফলে বহুদিনের সংশয় দূর হবে। কে কত নম্বর পেয়েছিলেন, কোথায় কী অসঙ্গতি ছিল, কিংবা আদৌ কোনও অনিয়ম হয়েছিল কি না— সেই সব প্রশ্নের উত্তর এবার সামনে আসবে। ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ফেরানোর ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।