বাংলাহান্ট ডেস্ক : চিংড়িঘাটা অংশে মেট্রো জট যেন কাটতেই চাইছে না। দীর্ঘদিন ধরে কাজ থমকে রয়েছে এখানে। এর ফলে মেট্রো (Kolkata Metro) সম্প্রসারণেও পড়ছে বাধা। রাজ্যের বিরুদ্ধে বারংবার অসহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। এমনকি হাইকোর্টের তরফেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আলোচনা করে বকেয়া কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য সরকার।
চিংড়িঘাটা মোড়ে ঝুলে রইল মেট্রোর (Kolkata Metro) কাজ
চিংড়িঘাটা মোড়ে মাত্র ৩১৬ বর্গমিটার জায়গায় কাজ আটকে থাকায় নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত রুটেও সম্প্রসারণের কাজ থমকে রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই অংশে কাজ করতে গেলে বাইপাসে যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। কিন্তু রাজ্য সেই অনুমতি দিচ্ছে না।

হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা: এরপরেই হাইকোর্টে উঠেছিল মামলাটি। উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, যান চলাচল অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য এনওসি দিতে হবে। আদালতের নির্দেশ মতোই রাজ্য, কেন্দ্র, নির্মাণকারী সংস্থা সহ সব পক্ষের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকেই ঠিক হয়েছিল, নভেম্বরের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সপ্তাহান্তে পিলার (Kolkata Metro) বসানোর কাজ শুরু করা হবে। কিন্তু নির্মাণকারী সংস্থা পরে জানায়, প্রয়োজনীয় এনওসি পায়নি তারা। এ বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলাও হয়েছিল।
আরও পড়ুন : ঘনিষ্ঠতা নেই নায়ক নায়িকার, তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে এন্ট্রি নতুন মুখের! মোড় ঘুরছে জলসার মেগায়
সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য: এদিকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, বর্ষবরণের অনুষ্ঠান এবং গঙ্গাসাগর মেলার জন্য রাতের ট্রাফিক আটকানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে জনস্বার্থ মামলাকারী আইনজীবীর বক্তব্য, মাত্র তিন রাত কাজের অনুমতি দিলেই পিলার তৈরি করা সম্ভব। উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্য এবং ট্রাফিক পুলিশকে পরপর দুটি সপ্তাহান্তে রাতের যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার তারিখ ঠিক করতে হবে। কবে কবে তা করা হবে তা ৬ জানুয়ারির মধ্যে মেট্রো কর্তৃপক্ষ এবং নির্মাণকারী সংস্থাকে জানাবে রাজ্য।
আরও পড়ুন : বকেয়া DA কবে ঢুকবে সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে? প্রশ্ন করতেই মমতা বললেন, আমি এটা…
কিন্তু আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও এখনও আটকে চিংড়িঘাটা অংশের কাজ। এর মধ্যে আবার রাজ্যের তরফে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় মেট্রোর কাজ আরও পিছিয়ে যাবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।












