কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য সুখবর! ফ্রি ইলেকট্রিক স্কুটি দেবে রাজ্য সরকার

Published on:

Published on:

State government to provide free electric scooty for college students‌
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : মেয়েদের উচ্চশিক্ষার‌ প্রতি আগ্রহী করে তুলতে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার (State government)। অনেক সময় নিরাপদ ও সহজ যাতায়াতের অভাবে বহু ছাত্রী উচ্চশিক্ষা থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হন। সেই সমস্যার সমাধান করতেই এবার বড় উদ্যোগ নিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া মেয়েদের জন্য চালু করা হচ্ছে ‘রানি লক্ষ্মীবাই স্কুটি যোজনা’ (Rani Laxmibai Scooty Yojna)।

‘ফ্রি’তে ইলেকট্রিক স্কুটি দেবে সরকার (State government)

‘রানি লক্ষ্মীবাই স্কুটি যোজনা’-র মাধ্যমে হাজার হাজার ছাত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে ইলেকট্রিক স্কুটি। এই বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ৭০ হাজারেরও বেশি ছাত্রীকে ইলেকট্রিক স্কুটি প্রদান করা হবে। মূলত যেসব ছাত্রীকে প্রতিদিন বহু দূর থেকে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছতে হয়, তাঁদের সমস্যার কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, এই প্রকল্পে ছাত্রীদের হাতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে একটি ইলেকট্রিক স্কুটি‌ তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ পেট্রোলের অতিরিক্ত খরচের চাপ যেমন থাকবে না, তেমনই পরিবেশবান্ধব যান ব্যবহারের ফলে দূষণও কমবে।

প্রশাসনের অনুমান, প্রতিটি স্কুটির পিছনে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় হতে পারে। সূত্রের খবর, গত ২০ ফেব্রুয়ারি যোগী আদিত্যনাথ সরকারের তরফে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকার আর্থিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রকল্পের বিস্তারিত প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে জমা পড়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই স্কুটি বিতরণের কাজ শুরু করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্যই শিক্ষা দফতর ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের শেষ বর্ষে উত্তীর্ণ ছাত্রীদের তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে। শুধু সাধারণ বিভাগের পড়ুয়ারাই নন, ওবিসি, এসসি, এসটি, ইডব্লিউএস এবং বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্রীরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

State government to provide free electric scooty for college students‌

আরও পড়ুন : নয়া পে কমিশন নিয়ে সরকারি কর্মচারীরাদের জন্য আসতে পারে বড়সড় ‘সুখবর’

রাজ্যের মতে, এই উদ্যোগ কেবলমাত্র একটি সরকারি প্রকল্প নয়, বরং মেয়েদের স্বনির্ভর করে তোলার দিকেও বড় পদক্ষেপ। নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ বাড়লে আরও বেশি সংখ্যক ছাত্রী উচ্চশিক্ষার প্রতি আগ্রহী হবেন বলেই মনে করছে প্রশাসন। একই সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মেয়েদের কাছে শিক্ষার সুযোগ আরও সহজলভ্য করে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এই পরিকল্পনা।