ভোটের আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের কড়া নির্দেশ, ইভিএমে নজর কমিশনের

Published on:

Published on:

4.8 million liters of liquor recovered in West Bengal Assembly Election
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে ভোট প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটগ্রহণের সময় যাতে কোনও রকম অনিয়ম বা কারচুপি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই এবার প্রিসাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব সম্পর্কে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission)

মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে এই তথ্য প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রতিটি বুথের প্রিসাইডিং অফিসারদের কিছু নির্দিষ্ট বিষয় খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে‌ হবে । ইভিএমে থাকা সমস্ত প্রার্থীর বোতাম যেন পরিষ্কারভাবে দেখা যায় এবং কোনওভাবেই তা টেপ, আঠা বা অন্য কোনও উপকরণ দিয়ে ঢাকা না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

ভোটের গোপনীয়তা বজায় রাখতে ব্যালট ইউনিটের কোনও প্রার্থীর বোতামে রং, কালি, সুগন্ধি বা অন্য কোনও রাসায়নিক প্রয়োগ করা যাবে না। এ ধরনের কোনও পদক্ষেপকে ভোটের স্বচ্ছতা নষ্ট করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হবে। এই ধরনের কোনও অস্বাভাবিকতা নজরে এলে প্রিসাইডিং অফিসারদের অবিলম্বে সেক্টর অফিসার বা রিটার্নিং অফিসারকে জানাতে হবে।

কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এই ঘটনাগুলি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর সঙ্গে কারচুপি বা হস্তক্ষেপ হিসেবে গণ্য হতে পারে, যা সরাসরি নির্বাচনী অপরাধের আওতায় পড়ে। এমন কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনে পুনর্ভোটের নির্দেশ দিতে পারে এবং পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।

Strict instructions to presiding officers before voting by Election Commission

আরও পড়ুন : নিরাপত্তার জন্য জেলায় জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোথায় কত বেশি জওয়ান ?

উল্লেখ্য, এর আগের দিনই কমিশনের তরফে রাজ্যের বিভিন্ন থানার ওসি এবং এসডিপিওদের কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়, ভোটকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের অশান্তি বা আইনভঙ্গের ঘটনা ঘটলে তা মোটেই সহ্য করা হবে না। সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা ওসি ও এসডিপিও-দেরই দায়ী করা হবে। পুলিশ অফিসারদের দায়িত্বে গাফিলতি প্রমাণিত হলে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হতে পারে। নির্বাচনকে ঘিরে কোনও রকম অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে কমিশন একেবারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।