‘এখনও আটকে রাখা অনৈতিক’! সুজিতের জামিন মামলায় জোরালো সওয়াল, কী রায় দিল হাইকোর্ট?

Published on:

Published on:

Sujit Bose bail case hearing ends in Calcutta High Court
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose)। গত মে মাসে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি। সোমবার তাঁর জামিন মামলার শুনানি শেষ হল। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জোরালো সওয়াল করেন সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।

সুজিতের জামিন মামলায় বড় আপডেট | (Sujit Bose)

এদিন সুজিতের আইনজীবী বলেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। তা সত্ত্বেও এখনও তাঁর মক্কেলকে জেলবন্দি করে রাখা অনৈতিক। এই গ্রেফতারি ইডি যুক্তিসঙ্গত বলে দাবি করতে পারে না।

আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা যোজনার ১৭ লক্ষ আবেদন বাতিল! কেন নাম বাদ পড়ল, ফের ফর্ম ফিল আপ নিয়ে বড় ঘোষণা

অভিষেক মনু সিংভি আরও বলেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে সুজিতকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে দেখিয়েছে ইডি। তবে ২০২৪-২৫ সালে এই মামলায় সিবিআইয়ের দেওয়া চার্জশিটে সুজিতের নামই ছিল না।

সুজিতের আইনজীবীর আরও সওয়াল, তাঁর মক্কেল কলকাতায় থাকেন। তদন্তের খাতিরে তাঁকে যখন খুশি ডাকা যায়। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করতেও রাজি। এদিন এই মামলার শুনানি শেষ হলেও রায়দান করেনি হাইকোর্ট। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ রায়দান স্থগিত রাখেন।

পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গত ১১ মে সুজিতকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তার আগে তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ভোটের আগেও প্রাক্তন মন্ত্রীকে বেশ কয়েকবার তলব করা হয়। তবে সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। এরপর গত ১ মে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন তিনি। সেদিন তাঁকে বেশ কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।

এরপর ফের ১১ মে আবার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। সেদিন বেশ কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় অবৈধভাবে চাকরিপ্রার্থীদের নাম সুপারিশ করেছিলেন তিনি।

Sujit Bose

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সুপারিশ করেছিলেন সুজিত। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অনুমান, দুর্নীতির মাধ্যমে আয় করা টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। সেই কারণে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে জামিন চেয়ে আগেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত। এদিন সেই মামলার শুনানি শেষ হলেও রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি ঘোষ। উচ্চ আদালত কী রায় দেয় সেটাই দেখার।