বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ খুনের ঘটনার পর ভূরি ভূরি দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছিল। সেই দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ওই মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। সম্প্রতি তিনিই আরজি কর দুর্নীতি মামলায় জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছেন। এবার এই নিয়ে সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চাইল আদালত।
হাইকোর্টের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে সন্দীপ | (Sandip Ghosh)
বৃহস্পতিবার বিচারপতি প্রশান্ত বি বরল ও বিচারপতি এম এম সুন্দ্রেশের বেঞ্চে সন্দীপের জামিন মামলা উঠেছিল। শুনানি শেষে সন্দীপের জামিনের আবেদন নিয়ে সিবিআইকে নিজেদের বক্তব্য জানাতে বলেছে শীর্ষ আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী সপ্তাহে হবে।
আরও পড়ুনঃ রাখিতে এক বছরের ফ্রি মোবাইল রিচার্জ! মহিলাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ‘ঘোষণা’ নিয়ে এবার বড় আপডেট
আরজি কর দুর্নীতি মামলায় জামিন চেয়ে এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সন্দীপ। তবে তাঁর আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল আদালত। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের পর্যবেক্ষণ ছিল, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, সেই সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে সন্দীপের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ‘প্রভাবশালী’ ব্যক্তি হওয়ায় সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। এই আশঙ্কা প্রকাশ করে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।
এরপর হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সোজা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সন্দীপ। গত ১৮ অগাস্ট শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এবার সেই মামলাতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে বড় নির্দেশ দেওয়া হল।
২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ খুনের ঘটনা ঘটেছিল। এরপর আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এলে তদন্তে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অভিযোগ, আরজি করের অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া বিপুল টাকা পরিকল্পিতভাবে সরানো হয়েছে। ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

ইডির অভিযোগ, ঠিকাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নামে চেক লেখা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেটা দিয়ে টাকা তোলা হয়েছে বা অন্য সহযোগী সংস্থায় ট্রান্সফার করে পরে তুলে নেওয়া হয়েছে। এভাবেই অপরাধ আড়াল করা হয়েছে বলে দাবি ইডির।
আরজি করের এই দুর্নীতি মামলাতেই প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। এবার তাঁর জামিন-আর্জি নিয়ে সিবিআইয়ের অবস্থান জানতে চাইল শীর্ষ আদালত।













