বাংলা হান্ট ডেস্ক: পেট্রোল পাম্পে ইথানলের লেবেলিং সংক্রান্ত একটি পিটিশনের শুনানি সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court of India) আগামী ৩১ অগাস্ট হবে। ওই পিটিশনে কেন্দ্রীয় সরকার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে নির্দেশ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, যাতে পেট্রোল পাম্পগুলি পেট্রোলে (Petrol) ইথানলের (Ethanol) সঠিক পরিমাণ লেবেল করার বিষয়টি নিশ্চিত করে। সুপ্রিম কোর্টের ৩১ অগাস্টের মামলার তালিকা অনুযায়ী, বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং প্রসন্ন বি ভারালের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের কাছে আবেদনটির শুনানি হবে।
সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court of India) হবে ইথানল মিশ্রিত পেট্রোলের লেবেলিং মামলার শুনানি:
বিলটিতে ইথানলের শতাংশ উল্লেখ করারও দাবি করা হয়েছে: জানিয়ে রাখি যে, নরেন্দ্র কুমার গোস্বামীর দাখিল করা আবেদনে এই নির্দেশাবলি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে যে, প্রতিটি জ্বালানি বিলে বিক্রিত পেট্রোলে ইথানলের শতাংশ অবশ্যই স্পষ্টভাবে ও সহজে পঠনযোগ্যভাবে উল্লেখ করতে হবে।

এছাড়াও, আবেদনে বিবাদীদের (কেন্দ্র ও অন্যান্য) একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যানবাহনের জন্য বিভিন্ন ইথানল মিশ্রণের উপযুক্ততা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করে একটি সরকারি ও সর্বজনীন ডেটাবেস তৈরি ও প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই ডেটাবেসটিতে যানবাহন-সম্পর্কিত তথ্য এবং এটি গাড়ির প্রস্তুতকারী সংস্থা, মডেল, ইঞ্জিনের ধরণ ও উৎপাদনের বছর অনুযায়ী অনুসন্ধান করা যাবে।
আরও পড়ুন: বড় সিদ্ধান্ত নীরজ চোপড়ার! এশিয়ান গেমসে করবেন না অংশগ্রহণ, নিজেই জানালেন কারণ
একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের অনুরোধ: উল্লেখ্য যে, ওই আবেদনে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক, ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস এবং অন্যান্যদের (যেমন স্বাধীন অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার) প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনেরও অনুরোধ করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে যে, এই কমিটি যেন বিদ্যমান যানবাহনগুলিতে E20 (২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল) ব্যবহারের প্রকৃত অবস্থা তদন্ত করে এবং এই বিষয়ে একটি প্রকাশ্য রিপোর্ট জমা দেয়।
আরও পড়ুন: ভেঙে গেল পূর্বের সমস্ত রেকর্ড! সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছল ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার
চিনির মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে ইথানল উৎপাদনের কোনও সম্পর্ক নেই: জানিয়ে রাখি যে, চিনির বর্তমান মূল্যকে পেট্রোলে ইথানল মিশ্রণের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। যদিও, সরকার স্পষ্ট করেছে যে চিনির মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে ইথানল উৎপাদনের কোনও সম্পর্ক নেই। সরকার জানায় যে, শিল্পখাত চিনির দাম বাড়িয়েছে।













